দেবজিৎ মুখার্জি: “মুখে হাসি নিয়ে খেলতে নেমো” আইপিএল ফাইনালের আগে বিরাট কোহলিকে পরামর্শ দিয়েছিলেন তাঁর প্রাক্তন সতীর্থ, তথা দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের প্রাক্তন তারকা, এবি ডিভিলিয়ার্স। কি বলেছিলেন তিনি? প্রাক্তন তারকা বিরাটকে ম্যাচের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করার পরামর্শ দিয়েছিলেন এবং জানিয়েছিলেন ট্রফি ঘরে আনতে। এখানেই শেষ নয়, তিনি এটাও জানিয়ে দিয়েছিলেন যে তিনি মাঠে আসবেন দলের খেলা দেখতে। বলতে গেলে, তিনি বিরাটকে গোটা ম্যাচজুড়ে ঠান্ডা থাকার বার্তা দিয়েছিলেন।
চলতি আইপিএল হলো শেষ এবং এর সঙ্গে দীর্ঘ ১৮ বছরের অপেক্ষা শেষ হলো রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর। ফাইনালে তারা পরাজিত করে শ্রেয়াস আইয়ার নেতৃত্বাধীন পাঞ্জাব কিংসকে। যদিও এই জয় একেবারেই সহজ ছিলোনা তাদের কাছে। অল্প ব্যবধানে ম্যাচ নিজেদের ঝুলিতে তোলে তারা। ৬ রানে জেতে আরসিবি। ভালো পারফর্ম করা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ ও ট্রফি নিজেদের নামে করতে পারলোনা পাঞ্জাব। জয়ের দোরগোড়ায় গিয়ে পরাজয়ের মুখ দেখতে হয় তাদের। একটুর জন্য বঞ্চিত হতে হয় ট্রফি থেকে।
তবে এদিন ম্যাচ শুরুর আগে বিরাট কোহলিকে একটি পরামর্শ দিয়েছিলেন আরসিবির প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার এবি ডিভিলিয়ার্স। স্টার স্পোর্টসের এক ভিডিওতে তাঁকে এই বার্তা দিতে শোনা যায়। তিনি বলেন, “ফাইনালটা উপভোগ করার পরামর্শ দেবো বিরাটকে। মুখে হাসি নিয়ে যেন মাঠে নামে। খেলা দেখব তোমাদের। ট্রফিটা তোমরা ঘরে নিয়ে আসো আর ম্যাচের প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করো।” এবির এই দারুন বার্তা চারিদিকে ছড়িয়ে পড়তে বেশি সময় নেয়নি। চোখের নিমিষে ভাইরাল হয়ে যায় বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে। এরপরই শুরু হয় কমেন্টের বন্যা। সকলেই এবিডির প্রশংসা করেন বিরাটের পাশে থাকার জন্য।
উল্লেখ্য, ফাইনালে পাঞ্জাব কিংসকে আরসিবি ৬ রানে পরাজিত করে। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৯০ রান তোলে বেঙ্গালুরু। দলের কোন ব্যাটারেরই তরফ থেকে আসেনি অর্ধশতরানের ইনিংস। পাঞ্জাবের বোলারদের মধ্যে তিনটি করে উইকেট নিজেদের ঝুলিতে তোলেন আর্শদীপ সিং ও কাইল জেমিসন। এছাড়া একটি করে উইকেট পান আজমাতউল্লাহ ওমারজাই, বিজয়কুমার বিশাক ও যুজবেন্দ্র ছাহাল। জবাবে রান তাড়া করতে নেমে ২০ ওভার শেষে পাঞ্জাবের স্কোর দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ১৮৪। সর্বোচ্চ ৬১ রান করেন শশাঙ্ক সিং। এছাড়া ৩৯ রানের একটি মারকুটে ইনিংস খেলেন জশ ইংলিস। বেঙ্গালুরুর বোলারদের মধ্যে দুটি করে উইকেট পান ভুবনেশ্বর কুমার ও ক্রূণাল পান্ডিয়া। এছাড়া একটি করে উইকেট তোলেন জশ হেজেলউড, যশ দয়াল ও রোমারিও শেপার্ড।

