নিজের সাক্সেস মন্ত্র কী? জানালেন শচীন

নিজের সাক্সেস মন্ত্র কী? জানালেন শচীন

দেবজিৎ মুখার্জি: ২২ গজে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দাপট চালিয়ে গিয়েছেন গড অফ ক্রিকেট শচীন তেন্ডুলকর। ব্যাট হাতে তিনি একাধিক রেকর্ড গড়েছেন। শুধু তাই নয়, বিশ্বের তাবড় তাবড় ক্রিকেটারদের রেকর্ডও ভেঙেছেন। তাঁর ঝুলিতে অর্ধশতরান ও শতরানের সংখ্যা প্রচুর। একটা সময় ছিল যখন তিনি ছিলেন বহু বোলারের ভয়ের কারণ। তবে এই দিনটির জন্য বহু পরিশ্রম করতে হয়েছে ‘মাস্টার ব্লাস্টার’কে। বলা ভালো, সহজ একেবারেই ছিল না গোটা বিষয়টি তাঁর কাছে। ঘন্টার পর ঘন্টা অনুশীলনের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল তাঁকে। এরপরই এতো সাফল্য দেখেছেন। 

এক অনুষ্ঠানে গিয়ে শচীন নিজের সাফল্যের মন্ত্র তুলে ধরলেন। কিংবদন্তি ক্রিকেটার বলেছেন, “ক্রিকেটের প্রতি আমি পাগল ছিলাম। তাই এটা শুরু করি। সর্বদা দেশের হয়ে খেলার স্বপ্ন দেখতাম আর নিজেকে তৈরিও সেভাবে করেছিলাম। বহু অধ্যায় আছে আমার জীবনে। ১২ ঘন্টা মাঠে পড়ে থাকতাম, যখন স্কুল ক্রিকেট খেলতাম। নিজেকে তৈরি করতাম এবং প্র্যাকটিস করতাম। তারপর একটা সময়ে ওভাবেই টানা ৫৫ দিন প্র্যাকটিস করে যেতাম গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে। অসুস্থও হয়ে পড়েছিলাম তা করতে গিয়ে। মূল বক্তব্য হলো যে আপনি কখনোই সফল হবেন না যদি আপনার মধ্যে প্যাশন বা আগুন না থাকে। ঠিকঠাক পরিকল্পনা ও গাইডেন্স দরকার এবং শৃঙ্খলাপরায়নও হতে হবে।”

প্রত্যাশার চাপের বিষয়টিও তুলে ধরেন শচীন। তিনি বলেন, “এটা মনে রাখতে হবে কেন প্রত্যাশার চাপ থাকছে। কারণ কোনও ক্রিকেটার অতীতে ভালো পারফর্ম করেছে বলেই তা থাকে। ক্রিকেটারদের জানতেও হবে কিভাবে এর মুখোমুখি হতে হয়। বিষয়টা দুভাবে দেখা যায়। এক, আপনি আরো চাপে পড়লেন প্রত্যাশার চাপের জন্য। দুই, আপনি ভাবলেন যে আগে ভালো ক্রিকেট উপহার দিয়েছেন বলেই এই চাপ রয়েছে। সেটাই আপনাকে উদ্বুদ্ধ করবে আরো ভালো খেলার জন্য।” এরপর সকল ক্রিকেটারকে তিনি একটি বিশেষ পরামর্শ দেন। শচীন বলেন, “সকল ক্রিকেটারকে আমি এটাই বলব যে কারোর সঙ্গে লড়াইয়ে যেও না বা নিজের তুলনা কারোর সঙ্গে করো না। শুধু নিজের সেরাটা দাও মাঠে নেমে। শুধু এটাই ভাবো যে তুমি নিজে কি করতে পারো।”

Leave a Comment

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *