দেবজিৎ মুখার্জি: আর কিছুক্ষণ পর আহমেদাবাদে নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে একে অপরের মুখোমুখি হবে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ টি২০ সিরিজের অন্তিম ম্যাচ খেলার জন্য। এই ম্যাচ দুই দলের কাছেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সূর্যকুমার যাদবদের কাছে সিরিজ পরাজয়ের ভয় না থাকলেও তারা এই ম্যাচ জিততে চাইবে তা পকেটে তোলার জন্য। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকাকে সিরিজে পরাজয় এড়াতে গেলে এই ম্যাচ জেতা অত্যন্ত জরুরি। সুতরাং খেলা যে বেশ হাড্ডাহাড্ডি হবে, তা না বললেও চলে। সিরিজ জয়কে পাখিরচোখ করে দুই দলের ক্রিকেটাররাই এখন মন দিয়ে অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন। শেষ মুহূর্তে যাতে কোনরকম সমস্যার সম্মুখীন না হতে হয়, তার জন্য নিজেদের সবরকমভাবে তৈরি করছেন দুই দলের ক্রিকেটাররা।
তবে ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে একটা ভয় থেকেই যাচ্ছে বায়ুদূষণ নিয়ে। গত ম্যাচে যা ঘটেছে, তা দেখে এখন সকলের মনেই এই প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে যে ফাইনালেও থাবা বসাবে না তো বায়ুদূষণ? জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল থেকে ১৬০-৮০র মধ্যে ঘোরাফেরা করছে আহমেদাবাদের একিউআই। বায়ুদূষণের মাত্রা সেখানে বেড়েছে বৃহস্পতিবারের তুলনায়। সূচক অন্তত তেমনটাই বলছে। তবে সেই কারণে ম্যাচ ভেস্তে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই বলতে গেলে কারণ দৃশ্যমানতা কমার কোন সম্ভাবনা নেই। সুতরাং ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে এটি একটি বড় স্বস্তির বিষয়ে যে গত ম্যাচে যা ঘটেছে, এবার তেমনটা হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।
তবে এই ম্যাচকে ঘিরে আগ্রহ একেবারে তুঙ্গে পৌঁছে গিয়েছে দুই দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের। ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা মনে করছেন যে টিম ইন্ডিয়া ম্যাচটি জিতে সিরিজ নিজেদের ঝুলিতে তুলবে। আবার দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটপ্রেমীরা মনে করছেন যে তাঁদের দল ম্যাচটি জিতে সিরিজ ড্র করবে। সেক্ষেত্রে দেখার বিষয় যে কারা শেষ পর্যন্ত বাজিমাত করে। ভারত নাকি দক্ষিণ আফ্রিকা? কিন্তু ম্যাচ যে একেবারে চরম উত্তেজনায় ভরা হবে, তা না বললেও চলে। দুই দলই নিজেদের সেরাটা দেবে বলে মত ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের এবং কেউ কাউকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়বে না। এবার দেখার শেষ পর্যন্ত কি হয়।
