দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: আর কদিন পর বাংলার মাটিতে বিধানসভা নির্বাচন। মসনর দখলের লড়াইকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি দিনদিন চাঞ্চল্যকর হয়ে উঠছে রাজ্যে। বলা ভালো, এখন থেকেই কেমন যেন একটা উত্তেজনায় ভরা পরিবেশ তৈরি হয়েছে গোটা রাজ্যে। একদিকে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের লক্ষ্য থাকবে মসনদে টিকে থাকা, তেমনি অন্যদিকে প্রধান বিরোধী দল বিজেপির লক্ষ্য থাকবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করা। এক কথায় বলতে গেলে, ভোটের জন্য প্রস্তুত গোটা বাংলা। যদিও সেই বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করব না আমরা। কারন আমাদের পেজ ‘এ বাংলার মুখ’ রাজনীতির ব্যাপারে নাক গলাতে ইচ্ছুক নয়।
এমন পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়লেন জনপ্রিয় কবি জয় গোস্বামী। ব্যাপারটি কি? বর্তমানে এসআইআর নিয়ে চরম হইচই পড়েছে গোটা রাজ্যে। এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়া শেষ হওয়ার পর এখন চলছে এই পদ্ধতির শুনানি পর্ব এবং তাতে ডাক পেলেন বিশিষ্ট কবি। বিষয়টি জানাজানি হতেই ছড়িয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য। শুধু তাই নয়, অনেকে এর নিন্দাও করেছেন এবং দাবী করেছেন যে একজন বয়স্ক মানুষকে হেনস্তা করা হচ্ছে। এক কথায় বলতে গেলে, এই বিষয়টি একেবারেই ভালো চোখে নেননি বহু মানুষ। চরম ক্ষুব্ধ হয়েছেন তাঁরা।
ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন জয় গোস্বামীর পরিবারের সদস্যরাও। হেনস্থার অভিযোগ আনা হয়েছে কন্যা দেবত্রী গোস্বামীর তরফ থেকে। পরিবারের প্রশ্ন, ঠিক সময়ে সকল সদস্যের এনুমারেশন ফর্ম জমা পড়া, খসড়া ভোটার তালিকায় নাম ওঠা ও ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও কেন শুনানিতে ডাক পেয়েছেন কবি? শুধু তাই নয়, তাঁদের আরো প্রশ্ন, কোভিদ জন্ম কলকাতার শিশুমঙ্গল হাসপাতালে ও বেড়ে ওঠা রানাঘাটে মামারবাড়ি ডোভার লেনে এবং গত লোকসভা নির্বাচনেও তিনি ভোট দিয়েছেন, এতকিছু পড়ও কেন তাঁকে শুনানিতে ডাকা? তাঁদের অভিযোগ, অসুস্থ অবস্থায় কবিকে শুনানিতে ডাকা মানে হেনস্থাই। তবে জানা গিয়েছে যে কবি ও তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। পাশাপাশি, কমিশনের তরফ থেকেও আশ্বাস দেওয়া হয় বিষয়টি খতিয়ে দেখার।
