“সুবিধা না পেলেই মহিলারা সোচ্চার হন” ‘মি টু’ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য মমতার

“সুবিধা না পেলেই মহিলারা সোচ্চার হন” ‘মি টু’ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য মমতার

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: অভিনয় হোক কি নৃত্য, সবেতেই এক নম্বরে মমতা শঙ্কর। নিজের কাজের মাধ্যমে তিনি সকলের মন এমনভাবেই জয় করেছেন যে কোনও অনুষ্ঠানে তিনি আসবেন শুনলেই বহু মানুষ ভিড় জমান। তবে অভিনয় ও নাচের পাশাপাশি, সাম্প্রতিককালে তিনি আরো বেশি চর্চায় উঠে এসেছেন নানা স্পর্শকাতর বিষয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার পর। এর জন্য তাঁকে নানাভাবে কটাক্ষের শিকার হতে হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে। কিন্তু কোনভাবেই তিনি সরে দাঁড়াননি নিজের অবস্থান থেকে। যেটা ঠিক বা উচিত মনে করেছেন, সেটাই দাবি করে বেড়িয়েছেন।

এবার জনপ্রিয় শিল্পী নিজের মতামত প্রকাশ করলেন বিনোদন জগতের অন্যতম সেনসিটিভ ইস্যু ‘মি টু’ নিয়ে। কী বক্তব্য এবার মমতা শঙ্করের। সম্প্রতি, এক বাংলা সংবাদমাধ্যমকে তিনি সাক্ষাৎকারে বলেন, “একজন নারী যেভাবে সম্মান অর্জন করতে পারেন নিজের কাজ দিয়ে, তেমনি তা হারাতে পারেন তাঁর কাজ দিয়েই। আমার মনে হয় কোনও অনৈতিক কাজে শুধু পুরুষরাই যুক্ত হন না, থাকেন মহিলারাও। কিছু পাওয়ার জন্য বিভিন্ন প্রস্তাব মেনে নেন এবং সুবিধা না পেলেই, তা নিয়ে সোচ্চার হন। তখন সেটা হয়ে দাঁড়ায় ‘মি টু’র ঘটনা। একেবারেই কাম্য নয় এগুলো। আমি এসবের চরম বিরোধী। শারীরিক হেনস্থার ব্যাপারটা আলাদা আর কোন বিষয়কে এভাবে নিজে থেকে প্রশ্রয় দেওয়া আলাদা। আমি মনে করি বুদ্ধি দিয়ে যেকোনো পরিস্থিতি এড়িয়ে যাওয়া যায়।”

তবে এখানেই থেমে যাননি মমতা শঙ্কর। তিনি আরও বলেন, “খুব ছোট বয়স থেকে তিনি নাচ শিখেছেন নিজে এবং বিনোদন দুনিয়ার সঙ্গে আমার সখ্যতা বহু বছরের। কিন্তু তারপরও কেউ আমাকে কোনদিনও কোন কূপ্রস্তাব দেয়নি বা কোন কুমন্তব্য করেনি। আমার সম্পর্ক সকলের সঙ্গে ভালো। যখনই আমি খারাপ কিছু দেখেছি, আমি বরাবর এড়িয়ে গেছি।” বলে রাখা ভালো, এর আগে শাড়ির আঁচল থেকে শুরু করে স্যানিটারি ন্যাপকিন, এমন স্পর্শকাতর বিষয়গুলি নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন মমতা শঙ্কর। সোশ্যাল মিডিয়ায় এর জন্য তাঁকে কটাক্ষ করা হয়েছিল। তবে এতকিছুর পরও তিনি স্পষ্ট কথা বলতে একটুও পিছপা হননি। এবারও তিনি তুলে ধরলেন বিনোদন দুনিয়ার কিছু নগ্ন সত্য।

Leave a Comment

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *