দেবজিৎ মুখার্জি: এই মুহূর্তে দেশের সিনেমাপ্রেমীদের মুখে একটাই নাম ঘোরাফেরা করছে আর সেটা অক্ষয় খান্না, রণবীর সিং অভিনীত ‘ধুরন্ধর’। বক্স অফিসে রীতিমতো দাপট চলছে ছবিটির। সকলেই প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছবিটির। হাজার বিতর্কের মাঝেও যেভাবে ছবিটি ছরি ঘুরিয়ে বেড়াচ্ছে, তা দেখে মুগ্ধ সিনেমাপ্রেমীরা। অনেকে আবার এটাও দাবি করেছেন যে একের পর এক রেকর্ড ভাঙবে ছবিটি। এক কথায় বলতে গেলে, ‘ধুরন্ধর’ ঝড়ে কাহিল দেশের সিনেমাপ্রেমীরা।
তবে এই আবহাওয়ায় ট্রোল ও মিমের শিকার হয়ে বসলেন বলিউডের অন্যতম তারকা অভিনেতা ঋত্বিক রোশন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি এমনকিছু লিখেছেন, যা দেখে ক্ষুব্ধ হয়েছেন নেটিজেনরা। তিনি লিখেছেন, “সিনেমা ভালবাসি আমি। কিন্তু তার চেয়েও পছন্দের যারা সমস্তটাই নিয়ন্ত্রণ করতে দেয় ছবির গল্পকে। ধুরন্ধর সেই ধরনেরই একটি ছবি। সত্যিই অসাধারণ যেভাবে পর্দায় গল্পটা তুলে ধরা হয়েছে দক্ষতার সঙ্গে। একেই বলে প্রকৃত সিনেমা। হয়তো আমি একমত নই ছবিটি রাজনীতির প্রেক্ষাপট নিয়ে। কারন কিছু দায়িত্ববোধ থাকে আমাদের পরিচালক হিসেবে গোটা বিশ্বের কাছে, আমি তর্ক সেই বিষয়েও করতে পারি। তবে এটা স্বীকার করতেই হবে যে এই ছবি থেকে আমি অনেককিছু শিখেছি। অসাধারণ।”
ডুগ্গুর এই পোস্ট নেটিজেনদের নজরে আসতে খুব একটা সময় লাগেনি। চোখে পড়ামাত্রই ক্ষোভে ফেটে পড়েন সকলে। একাংশ এর তীব্র নিন্দা করেন। অনেকে দাবি করেছেন যে নির্মাতাদের দেশাত্মবোধ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গ্রিক গড। আবার অনেকে এটাও দাবি করেছেন যে জাতীয়তাবোধের বিরোধিতা করেছেন তারকা অভিনেতা। এমন পরিস্থিতিতে ঋত্বিক দ্রুত আরও একটি পোস্ট করেন। তাতে তিনি লেখেন, “তুমি দুর্দান্ত পরিচালক আদিত্য। এখনো রেশ কাটাতে পারিনি এই ছবির। গোটা ছবিজুড়ে তোমার অভিনয় দেখলাম রণবীর। আর অক্ষয় খান্না তো সর্বদাই আমার প্রিয়। কেন? সেটার প্রমাণ এই ছবি।”
যদিও এই পোস্ট দিলেও চিড়ে ভেজেনি। বলা ভালো, শেষ হচ্ছে না ট্রোল-মিমের। এরপরেও কটাক্ষের শিকার হতে হল তাঁকে নেটিজেনদের। অনেকে বলছেন, “নিজেই নিজের সমাজমাধ্যম চালান নাকি পাসওয়ার্ড প্রেমিকার কাছে থাকে?” অনেকে আবার এটাও দাবি করেছেন যে চাপে পড়ে এখন সুর পাল্টেছেন ঋত্বিক। এক কথায় বলতে গেলে, একটি পোস্ট ভিলেন করে তুলল বলি তারকাকে।

