দেবজিৎ মুখার্জি: আজ থেকে কয়েক দশক আগের হলেও এখনো সিনেমাপ্রেমীদের মনে গেঁথে রয়েছে রমেশ সিপ্পির জনপ্রিয় ছবি ‘শোলে’। যখনই সিনেমাটি টিভিতে দেয়, ৮ থেকে ৮০ সকলেরই, চোখ জমে যায় টেলিভিশন সেটে। বলা ভালো, অমিতাভ-ধর্মেন্দ্র অভিনীত এই ছবি একেবারে রূপ পাল্টে দিয়েছে হিন্দি সিনেমার এবং তারপর থেকেই দেখা গিয়েছে এক অন্যরকমের পরিবর্তন। এই সিনেমার একাধিক জনপ্রিয় ডায়লগ রয়েছে, যা আজও মনে রেখেছে সকলে। তবে এখানেই শেষ নয়, সকলের অভিনয়ও ছিল একেবারে দেখার মতো।
এই ছবিকে ঘিরে রয়েছে একাধিক ট্রিভিয়া। যখন সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছিল, তার আগে তার উপর কাঁচি চালানো হয়েছিল সেন্সরের তরফ থেকে। এমন অনেক দৃশ্য ছিল, যা নৃশংস বলে দেখানো হয়নি দর্শকদের। কিন্তু আগামী ১২ ডিসেম্বর গোটা দেশে ফের মুক্তি পেতে চলেছে ‘শোলে’। মোট ১৫০০টি হলে মুক্তি পাবে বলে খবর। তবে এবার সেই বাদ পড়া দৃশ্যগুলিও দেখানো হবে। এক কথায় বলতে গেলে, ‘এ টু জেড’ সবকিছুই দেখানো হবে আনকাট ভার্সনে। স্বাভাবিকভাবেই এই খবরটি জানাজানি হতেই সিনেমাপ্রেমীদের উন্মাদনা একেবারে তুঙ্গে পৌঁছে গিয়েছে এবং মনে করা হচ্ছে যে বহু প্রবীণরাও হলে গিয়ে ছবিটি ফের দেখবেন।
বলে রাখা ভালো, ছবির ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে তা প্রদর্শিত হয়েছিল টরোন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে। তবে এর আগে ‘শোলে’ ঘিরে এমন খবর জানাজানি হতেই নিজের বক্তব্য জানান জয়-বীরু, অর্থাৎ অমিতাভ বচ্চন ও ধর্মেন্দ্র। বিগ বি বলেছিলেন, “তখন ভাবিনি ছবিটি ভারতীয় সিনেমার মোড় ঘুরিয়ে দেবে। যেন নাটকীয়ভাবে সবকিছু বদলে দিয়েছিলো শোলে। আমার আশা ছবিটি নতুন দর্শকদেরও মন পাবে গোটা বিশ্বে ৫০ বছর পরও।” অন্যদিকে ধর্মেন্দ্রর বক্তব্য, “যেন বিশ্বের অষ্টম আশ্চর্য শোলে। আমি শুনেই উত্তেজিত যে ছবিটি ফের প্রদর্শিত হবে। ইতিহাস তৈরি করেছিল বেশিরভাগ দৃশ্য। কিন্তু সেই কয়েনটি হল আসল হিরো। আমার সবচেয়ে প্রিয় দৃশ্য ট্যাংক ও মন্দিরের। এছাড়া আরও একাধিক দৃশ্য রয়েছে।”

