প্রস্রাবের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন জয় গোস্বামী! এখন কেমন আছেন?

প্রস্রাবের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন জয় গোস্বামী! এখন কেমন আছেন?

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: বাঙালি মানেই সাহিত্য ও সংস্কৃতিপ্রেমী। ক্ষুদে থেকে শুরু করে প্রবীণ, প্রায় সকলেই ছোটবেলা থেকে এই বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে শুরু করে শরৎচন্দ্র বা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, কারোর নামই এখন অজানা নয়। তবে সাহিত্য বা উপন্যাসের পাশাপাশি কবিতাও মানুষের মন বেশ আকর্ষণ করে। বাংলায় কবিতা বলতে, এখন এক কথায় একজনকেই সকলে চেনেন এবং সেটি হল জয় গোস্বামী। ৮ থেকে ৮০, তাঁর ফ্যান ফলোয়িং প্রচুর। বলা ভালো, নিজের কবিতার মাধ্যমে তিনি অনেকের নয়নের মনি হয়ে উঠেছেন।

সম্প্রতি, বিশিষ্ট কবি জয় গোস্বামীকে ভর্তি করানো হয়েছিল হাসপাতালে। কী কারণে তিনি ভর্তি হয়েছিলেন? প্রস্রাবের সমস্যা নিয়ে ভোগার জেরে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল হাসপাতালে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের পর চিকিৎসকদের তরফ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে এমন পরিস্থিতিতে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকদের তরফ থেকে পরিবারকে জানানো হয় যে এটি করা প্রয়োজন। বিষয়টি জানাজানি হতেই চিন্তায় পড়েন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। শুধু তাই নয়, চিন্তার কালো মেঘ ঘিরে ধরে তাঁর অন্যান্য ঘনিষ্ঠজনদেরও। বলা ভালো, কয়েকদিন ধরে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত ছিলেন তাঁরা। তবে কবির এমন অবস্থার কথা প্রকাশ্যে আনা হয়নি। 

বেশ কয়েকটি অস্ত্রোপচারের পর জয় গোস্বামী হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান। তবে এখন তিনি কেমন আছেন? এবার এই ব্যাপারে যাবতীয় সবকিছু এক সংবাদমাধ্যমকে জানালেন তাঁর কন্যা বুকুন। তিনি বলেন, “উনি ভালো আছেন। শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। দ্রুত সাড়া দিচ্ছেন চিকিৎসায়।” হাসপাতালে ভর্তি করার কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, “ওনার বেশ কিছুদিন ধরে প্রস্রাব হচ্ছিল না। বিষয়টি প্রথমে এড়িয়ে গেলেও পরে যেতে হয় চিকিৎসকের কাছে। ওনার চিকিৎসা চলছিল গৃহচিকিৎসক শঙ্করপ্রসাদ ভট্টাচার্যের অধীনেই। কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না দেখে ওনার পরামর্শেই নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে।”

প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের পর অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা এবং পরিবারকেও এই বিষয়ে জানানো হয় ও আশ্বস্ত করা হয় যে বয়সের কারণে এমন সমস্যা হয় পুরুষদের এবং এতে আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। সেই অনুযায়ী তিনটি ছোট অস্ত্রোপচার করা হয়। পরবর্তী চিকিৎসাপদ্ধতি নিয়ে ডাক্তাররা কি বলছেন, সেই ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে বুকুন বলেন, “নির্দিষ্ট কয়েকটি ওষুধ দেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই একটু দুর্বল উনি। তার মাঝেই সামান্য লেখালেখি করছেন। উনি অস্ত্রোপচারের আগের দিন অবধি লেখালিখি করেছেন। ডাক্তাররা অসুস্থ করেছেন যে ভয়ের কিছু নেই এবং উনি আগের মতই সুস্থ হয়ে উঠবেন।”

Leave a Comment

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *