বিশ্বভারতীতে আটকে একাধিক বাংলাদেশী পড়ুয়া, বাড়ি ফিরতে না পারায় চিন্তা

বিশ্বভারতীতে আটকে একাধিক বাংলাদেশী পড়ুয়া, বাড়ি ফিরতে না পারায় চিন্তা

দেবজিৎ মুখার্জি, বীরভূম: এই মুহূর্তে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি বাংলাদেশে। মৌলবাদীদের প্রতিনিয়ত অত্যাচারে জ্বলছে মুজিবের দেশ। গোটা বিশ্ব এই বিষয়টি নিয়ে এখন জোড় আলোচনা করছে। যদিও এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল গতবছর শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তাফা দিয়ে দেশ ছাড়ার পর থেকেই। তবে এখন যেন পরিস্থিতি আরো উগ্র হয়ে গিয়েছে সেখানে। সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার একেবারে চরমে পৌঁছে গিয়েছে। গোটা বিশ্বের গা শিউরে উঠেছে এগুলি লাগাতার হতে দেখে।

এমন পরিস্থিতিতে বেশ চিন্তায় পড়েছেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৩৫ জন বাংলাদেশী পড়ুয়া। আগামী মাসে সেমিস্টার পরীক্ষা তাঁদের। অনেকেই ফিরতে চাইছেন বাড়ি। কিন্তু সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে ভিসা পাওয়া। কারণ বর্তমানে দুই দেশের তরফ থেকেই বেশ কয়েকটি ভিসাকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গিয়েছে সীমান্ত এলাকায়। অন্যদিকে পরিবারের পাশে দাঁড়ানো এই মুহূর্তে অত্যন্ত জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে পড়ুয়াদের কাছে কারণ দেশের পরিস্থিতি ভালো নয় বলে। এই আবহে বাড়ি ফিরতে না পারায় চিন্তায় ভুগছেন তাঁরা।

পড়ুয়াদের বক্তব্য, “মনটা হলেও ভালো হতো যদি এই সময়ে বাড়ি ফিরে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারতাম।” বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের তরফ থেকেও এই বিষয়ে অবস্থান জানানো হয়েছে। তাঁর দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় কোন সমস্যা হবে না ভিসা নিয়ে সমস্যা থাকলেও এবং তাঁরা হোস্টেল বা ক্যাম্পাসে থেকে নিজেদের কাজ করতে পারবেন এবং সেই অনুমতি দেওয়া আছে। সুতরাং এই মুহূর্তে ওপার বাংলার পড়ুয়াদের পরিবারের জন্য চিন্তা করা ছাড়া আর কিছু করার নেই। সকলেই এখন প্রার্থনা করছেন যেন যেভাবে হোক দেশে ফেরা যায়।

বলে রাখা ভালো, এই মুহূর্তে বাংলাদেশের দিপু দাসের হত্যাকাণ্ড নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। যেভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করে তাঁকে পুড়িয়ে দেওয়া হয়, বিশেষ করে সেই সময়ে পৈশাচিক উল্লাস, তা দেখে রীতিমত আঁতকে উঠেছেন ভারত ও বাংলাদেশের নাগরিকরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর চলছে তোলপাড়। উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। এবার দেখা শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে এটি থামে।

Leave a Comment

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *