নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে চলতি অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি নিয়ে তোলপাড় আন্তর্জাতিক রাজনীতি। যেভাবে সংখ্যালঘুদের ওপর প্রতিনিয়ত অত্যাচার করে চলেছে মৌলবাদীরা, তার বিরুদ্ধে সরব হয়েছে গোটা বিশ্ব। বাদ যায়নি ভারতও। দেশের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি দিপু দাস হত্যাকান্ডের নিন্দা জানিয়ে অপরাধীদের সাজার দাবি তুলেছেন। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মেও এই বিষয়টি নিয়ে জোড় আলোচনা চলছে। বলা ভালো, এমন নিন্দনীয় ঘটনা কেউই মানতে পারছেন না এবং সকলেই চাইছেন যে অবিলম্বে সকল হত্যাকারীদের শাস্তি দেওয়া হোক।
এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ালো পাকিস্তান এবং দেওয়া হল ভারতকে হুঁশিয়ারি। শাহবাজ সরকারের মন্ত্রী এবং পাকিস্তান মুসলিম লিগ নওয়াজের নেতা ভারতকে মিসাইল ছড়ার হুশিয়ারি দেন। শুধু তাই নয়, কামরান সাঈদ উসমানি নামে ওই পাক যুব নেতার তরফ থেকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে পাকিস্তান-বাংলাদেশ সামরিক জোট গঠনেরও। এছাড়াও আরো একাধিক বার্তা দেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই, এই আবহে এমন হুঁশিয়ারি চাঞ্চল্য তৈরি করেছে গোটা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।
উসমানি এক ভিডিও বার্তায় বলেন, “ভারতের তরফ থেকে যদি আঘাত হানা হয় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের উপর বা কেউ যদি কুনজর দেয় তাদের উপর, তাহলে মনে রাখতে হবে যে খুব দূরে নয় পাক জনগণ, সশস্ত্র বাহিনী ও আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র।” শুধু তাই নয়, এর সঙ্গে তাঁর আরো হুঁশিয়ারি, “যদি ভারতের অখন্ড ভারতের অংশ হয়ে থাকে বাংলাদেশ, তাহলে চুপ করে বসে থাকবে না পাকিস্তান।”
সামরিক জোট গঠনের প্রসঙ্গ তুলে উসমানি বলেন, “বাংলাদেশের উচিত পাকিস্তানের সঙ্গে সামরিক জোট গঠন করা। সেনা ঘাঁটি তৈরি করা উচিত দুই দেশের একে অপরের দেশে। ভারতের পরিকল্পনা কি, তা নিয়ে সতর্ক মুসলিম তরুণরা। নানাভাবে এই ষড়যন্ত্র হতে পারে। সে বাংলাদেশের জলসীমা দখল করে হোক কি রাষ্ট্রদ্রোহের রূপে বা মুসলিমদের একে অপরের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দিয়ে।” সেক্ষেত্রে দেখার যে এবার ভারতের তরফ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় এই ব্যাপারে। তবে বাংলাদেশের পরিস্থিতি একেবারে হইচই ফেলে দিয়েছে চারিদিকে।
