দেবজিৎ মুখার্জি: বর্তমানে গোটা ভোটমুখী বাংলায় শোরগোল ফেলে দিয়েছে আইপ্যাকের অফিস ও কর্ণধারের বাড়িতে ইডি হানা। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, এই ঘটনাটি গোটা দেশে হইচই ফেলে দিয়েছে। শুরু হয়েছে ব্যাপক রাজনৈতিক তরজা। ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন সমাজবাদী পার্টির প্রধান, তথা উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, অখিলেশ যাদব। এবার বাংলার বাঘিনী পাশে পেলেন পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি প্রধান মেহবুবা মুফতিকে। তিনি ভুয়সী প্রশংসা করেন তৃণমূল সুপ্রিমোর।
মেহবুবা মুফতি দাবি করেন যে আজকের দিনে যেভাবে গোটা দেশজুড়ে তল্লাশি চালানো হয়, তা আগে হতো না। শুধু তাই নয়, এর সঙ্গে তিনি উপত্যকার প্রসঙ্গও টেনে আনেন এবং দাবি করেন যে কাশ্মীরে যখন তল্লাশি হত, তখন অধিকাংশ রাজনৈতিক দলই চুপ ছিল। এমনকি যখন ৩জন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন, তখন সকলে মুখ বুজে তা হজম করেছিলেন এবং দেখেছিলেন। এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা করে পিডিপি প্রধান বলেন যে তৃণমূল সুপ্রিমো সাহসী ও বাঘিনী এবং তিনি আত্মসমর্পণ না করে লড়াই করবেন।
মেহবুবা মুফতি বলেন, “বর্তমানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে গোটা দেশে। যদিও আগে এটা হয়নি। কাশ্মীরে যখন ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছিল, তখন শুধু এখানেই তল্লাশি চালানো হতো। সেই সময়ে অধিকাংশ রাজনৈতিক দলই চুপ করে ছিল। গ্রেফতার হয়েছেন ৩ জন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। সকলে চুপ করে সেটা দেখছিল। যখনই সংবাদপত্র খোলা হত, তখনই কম করে দিনে ২০-২৫টা খবর দেখা যেত তল্লাশি সংক্রান্ত। এখন সেটাই হচ্ছে বাংলায়।” এরপরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহসের প্রশংসা করেন তিনি এবং বলেন, “কিন্তু বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সাহসী। উনি বাঘিনী। লড়াই করবেন উনি। কখনোই আত্মসমর্পণ উনি করবেন না।”
এবার দেখার যে আগামীদিনে জল কতদূর গড়ায়। এই পর্ব কোন পথে এগোয়ে, সেই প্রশ্নই এখন ঘোরাফেরা করছে বাংলার রাজনৈতিক মহলে। তবে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে যে কেউ কাউকে সহজে জমি ছাড়বে না, তা না বললেও চলে।

