“বলে বোঝাতে পারবোনা” নিজের ইনিংস প্রসঙ্গে বক্তব্য ম্যাচের সেরা জিতেশের 

“বলে বোঝাতে পারবোনা” নিজের ইনিংস প্রসঙ্গে বক্তব্য ম্যাচের সেরা জিতেশের 

দেবজিৎ মুখার্জি: “বলে বোঝাতে পারবোনা” আরসিবিকে ম্যাচ জিতিয়ে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এমনটাই জানালেন দলের স্ট্যান্ডিং অধিনায়ক জিতেশ শর্মা। বেঙ্গালুরু অধিনায়কের বক্তব্য, বিরাট কোহলি আউট হওয়ার পর তাঁর গুরু দীনেশ কার্তিক তাঁকে পরামর্শ দেন শেষ পর্যন্ত খেলার। এখানেই শেষ নয়, প্রাক্তন তারকার প্রশংসায় একেবারে পঞ্চমুখ জিতেশ। তিনি জানান যে কার্তিক তাঁর মনে আত্মবিশ্বাস জোগায় যে তিনি যেকোনো পরিস্থিতি থেকে ফিনিশ করতে পারেন। সবমিলিয়ে, এই জয় যেমন দলকে স্বস্তি দিয়েছে, তেমনি নিজের দুর্দান্ত ইনিংসে চরম খুশি হয়েছেন জিতেশ।

মঙ্গলবার, ২৭শে মে, লখনৌর একানা স্টেডিয়ামে হোম টিম এলএসজির বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে নামে জিতেশ শর্মা নেতৃত্বাধীন রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। প্রথমে ব্যাট করে দলের অধিনায়ক ঋষভ পান্থের দুর্দান্ত শতরানের উপর ভর করে রানের পাহাড় গড়তে সফল হয় লখনৌ। এছাড়া অর্ধশত রানের ইনিংসে দলের আরেক তারকা মিচেল মার্শের ব্যাট থেকেও। বিস্তারিতভাবে বলতে গেলে, এদিন বেঙ্গালুরুর বোলারদের রীতিমতো দুর্বল দেখায় এলএসজির ব্যাটিংয়ের সামনে।

তবে রান তাড়া করতে নেমে এক আলাদাই খেলা দেখায় আরসিবি। দলকে দুর্দান্ত স্টার্ট দেন দুই ওপেনার বিরাট কোহলি ও ফিল সল্ট। যদিও সল্ট আউট হওয়ার পর মাঝের ওভারে দ্রুত প্যাভিলিয়নে ফিরে যান রজত পতিদার এবং লিয়াম লিভিংস্টন। তার কিছুক্ষণ পরই আউট হন বিরাট। ৩০ বলে ৫৪ রানের একটি দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। তারপরই শুরু হয় জিতেশ ম্যাজিক। মায়াঙ্ক আগারওয়ালকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দলকে ফিনিশ লাইন পার করান। ৩৩ বলে ৮৫ রানের একটি অসাধারণ ইনিংস আসে তাঁর তরফ থেকে, যার মধ্যে রয়েছে ৮টি চার এবং ৬টি ছয়। ৬ উইকেটে ম্যাচ জেতে আরসিবি এবং পৌঁছে যান ‘টপ টু’তে। ম্যাচের সেরা হন জিতেশ।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জিতেশকে দলের জয় ও নিজের ইনিংস প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি নিজের অবস্থান জানান। স্ট্যান্ডিং ক্যাপ্টেনের বক্তব্য, “আমি আপনাকে বলে বোঝাতে পারবোনা। যখন বিরাট আউট হয়, তখন আমি ভাবছিলাম ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত নিয়ে যাবো। আমার গুরু দীনেশ কার্তিকও আমাকে একই পরামর্শ দেন এবং বলেন যে আমার মধ্যে সেই প্রতিভা রয়েছে যে আমি আমি যেকোন পরিস্থিতি থেকে দলকে ম্যাচ জেতাবো। এটা একটা বড় ফ্রাঞ্চাইজি এবং আমি চাপটা উপভোগ করছি। যখন আমি বিরাট কোহলি, ভুবনেশ্বর কুমার, ক্রুণাল পান্ডিয়াদের দেখি, তখন আমি এমন ক্রিকেটারদের সঙ্গে খেলবো ভেবে এক্সাইটেড হয়ে যাই। আমরা এই মুহূর্তে আনন্দ করবো এবং যেই মোমেন্টামটা পেয়েছি সেটা পরবর্তী ম্যাচগুলিতে নিয়ে যাবো।”

Leave a Comment

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *