স্বপ্ন দেখাই যেতে পারে, ভারতের বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে দাবি প্রাক্তন জার্মান অধিনায়কের

স্বপ্ন দেখাই যেতে পারে, ভারতের বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে দাবি প্রাক্তন জার্মান অধিনায়কের

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: ভারতীয় ফুটবল নিয়ে নিজের অবস্থান জানালেন প্রাক্তন বিশ্বকাপজয়ী জার্মান অধিনায়ক লোথার ম্যাথাউস। কী বক্তব্য তাঁর? রবিবার তিনি যেখানে যেখানে গিয়েছেন, সেখানে একই কথা বলেছেন যে ভারতবর্ষে কোটি কোটি মানুষ এবং তাঁদের মধ্যে ৫০ জন ফুটবলের জাতীয় দলের হয়ে উঠে আসবেন এবং দেশকে তুলে নিয়ে যাবেন বিশ্বকাপে। শুধু তাই নয়, বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার স্বপ্ন পর্যন্ত দেখান তিনি এবং দাবি করেন যে সঠিক প্রশিক্ষণ ও শিক্ষক পেলে বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখাই যেতে পারে।

গতমাসে বেঙ্গল সুপার লিগের (বিএসএল) ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হন লোথার ম্যাথাউস। তখন তিনি কথা দিয়েছিলেন যে এক মাসের মধ্যেই আসবেন শহরে। সেই কথাও রাখেন প্রাক্তন জার্মান অধিনায়ক। রবিবার সকালে তিনি পা রাখেন কলকাতা বিমানবন্দরে। সঙ্গে ছিলেন বান্ধবী তেরেসা। তাঁদের স্বাগত জানান শ্রাচী স্পোর্টসের কর্তাদের থেকে শুরু করে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা। দলের সমর্থকদের হাতে ছিল লাল-হলুদ পতাকা। সেই জার্সি গায়েও দেখা যায় লোথার ম্যাথাউসকে। তাঁকে দেখে বেশ খুশি হন উপস্থিত সকল ফুটবলপ্রেমী।

এরপর শহরের একাধিক স্কুলের একাধিক ফুটবল ক্লিনিকে লোথার ম্যাথাউস অংশ নেন। পাশাপাশি, ক্ষুদে ফুটবলারদের অটোগ্রাফও দেন তিনি। ফুটবল ক্লিনিকে ছিলেন ভাস্কর গঙ্গোপাধ্যায়, বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য, মেহতাব হুসেন, রহিম নবি, ব্যারেটো, সুলে মুসা, আলভিটো ডি’কুনহা সহ একাধিক প্রাক্তন ফুটবলার। এরপর মধ্যাহ্নভোজ সেরে তিনি যোগ দেন কলকাতা পুলিশের এক অনুষ্ঠানে, যেখানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার সিপি মনোজ বর্মাও। 

তারপর টাউন হলে যোগ দেন আইএফএ’র পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে। সেখানে ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, আইএফএ চেয়ারম্যান সুব্রত দত্ত, সচিব অনির্বাণ দত্তের পাশাপাশি অন্য শীর্ষ কর্তারা। ছিলেন একাধিক প্রাক্তন ফুটবলারও। আইএফএ’র বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি দাবি করলেন, “আমি জানি ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে ভারত ১৩৬। সময় লাগুক। ঠিক শিক্ষক ও প্রশিক্ষণ পেলে স্বপ্ন দেখা যেতেই পারে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার।”

Leave a Comment

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *