নিউজ ডেস্ক: “সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ রান করিনি” বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে ম্যাচের সেরা হয়েও এমনটা দাবি করলেন দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা ক্রিকেটার এডেন মার্করাম। প্রোটিয়া তারকার মতে তিনি কিছুক্ষণ সময় কাটিয়েছেন ক্রিজে এবং রান পেতে সফল হয়েছেন। এরপর লর্ডস মাঠ প্রসঙ্গে নিজের মতামত জানান তিনি এবং দাবি করেন যে প্রত্যেক ক্রিকেটারেরই স্বপ্ন থাকে এখানে খেলার। অবশেষে তিনি প্রশংসা করেন দলের অধিনায়ক টেম্বা বাভুমার।
অবশেষে নিজেদের প্রথম আইসিসি টুর্নামেন্ট ঝুলিতে তুলতে সফল হয় দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে তারা পরাজিত করে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়াকে পাঁচ উইকেটে। চতুর্থ দিনে তারা ২ উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে খেলতে নেমে আরও তিনটি উইকেট হারায় এবং প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয়। এক অসাধারণ ইনিংসের জন্য ম্যাচের সেরা হন এডেন মার্করাম। গোটা ক্রিকেট বিশ্ব প্রশংসা করেছে তাঁর ধৈর্যের। যেভাবে মাথা ঠান্ডা রেখে তিনি দলকে ম্যাচ জেতানোর পাশাপাশি ট্রফি এনে দিয়েছেন, তার প্রশংসা করেছে সকলে।
পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে যখন তিনি ম্যাচের সেরা পুরস্কার নিতে ওঠেন তখন চারিদিক থেকে আসতে থাকে হাততালির বন্যা। শুধু তাঁর দলের সতীর্থরা নন, স্টেডিয়ামে উপস্থিত সকল ব্যক্তি তাঁর জন্য হাততালি দেন। পাশাপাশি, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে তাঁকে ঘিরে দেখা যায় একাধিক পোস্ট। সকলেই তাঁকে সহ গোটা দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলকে অভিনন্দন জানান। ৮ থেকে ৮০, সকলেই প্রশংসা করেছেন তাঁর সাহসী ইনিংসের। যেভাবে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বিধ্বংসী বোলিং লাইনআপের মোকাবিলা করেছেন, তা নজর কেড়েছে সকল ক্রিকেটপ্রেমীর। বলা বাহুল্য, এই মুহূর্তে দক্ষিণ আফ্রিকায় সকলের নয়নের মনি তিনি।
পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে মার্করাম নিজের বক্তব্য রাখেন নিজের ইনিংস ও দলের জয় প্রসঙ্গে। তিনি বলেন, “একেবারেই এটি আমার সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ রানের মধ্যে পড়ে না। ক্রিজে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়েছি এবং রান পেতে সফল হয়েছি। খুশির ঠিকঠাকভাবে পরিকল্পনা কাজে এসেছে বলে। লর্ডস এমনই একটা গ্রাউন্ড যেখানে প্রতিটা ক্রিকেটার খেলার স্বপ্ন দেখে। আমাদের দলের বহু সমর্থক এখানে এসেছেন এবং এটি একটি বিশেষ দিন। যখন আপনি উইকেট ও বোলিং লাইনআপের দিকে দেখেন, তখন আপনি যতগুলি বল খেলেন সেগুলির পুরো ফায়দা নেওয়া উচিত।” অবশেষে বাভুমার প্রসঙ্গে নিজের মতামত জানান তিনি। মার্করাম বলেন, “ও সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছে। ও চোট পাওয়া সত্ত্বেও রান করেছে। মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যায়নি। আমার মনে হয় প্রতিটা ক্রিকেটপ্রেমী এই ইনিংস চিরকাল মনে রাখবেন।”
