“আশা করি অনুপ্রেরণা পাবে” সিন্ট মার্টিনের প্রথম ক্রিকেটার প্রশ্নে জবাব কার্টির 

“আশা করি অনুপ্রেরণা পাবে” সিন্ট মার্টিনের প্রথম ক্রিকেটার প্রশ্নে জবাব কার্টির 

নিউজ ডেস্ক: “আশা করি আমাকে দেখে অনুপ্রেরণা পাবে” পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ম্যাচের এবং সিরিজের সেরা হওয়ার পর এমনটাই দাবি করলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের তরুণ ক্রিকেটার কিসি কার্টি। ঠিক কি প্রসঙ্গে এমনটা বললেন তিনি? যখন কার্টিকে প্রশ্ন করা হয় সিন্ট মার্টিন থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে প্রথম ক্রিকেটার হয়ে এমন খেলা দেখানোর, তখন তিনি এমনটা জানান। যদিও এখানেই শেষ নয়, তরুণ ক্যারিবিয়ান তারকা এটাও জানান যে এখনো পর্যন্ত এটি তাঁর কাছে কিছুই নয়। বলতে গেলে, কিসি কার্টি একপ্রকার বুঝিয়ে দেন যে এখনো অনেককিছু করে দেখানো বাকি আছে তাঁর।

আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজে প্রথমদিকে পিছিয়ে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম ম্যাচটি নিজেদের ঝুলিতে তোলেন পল স্টারলিং ও তাঁর বাহিনী। দ্বিতীয় ম্যাচটি বৃষ্টির জেরে ভেস্তে যায়। সুতরাং সিরিজ বাঁচানোর জন্য ক্যারিবিয়ান বাহিনীর কাছে তৃতীয়, তথা অন্তিম, ম্যাচটি জেতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল এবং সেটাই করে তার সাথে সফল হন শেহ হোপরা। একেবারে বড় ব্যবধানে ম্যাচ নিজেদের নামে করতে সফল হন তাঁরা। ডিএলএস পদ্ধতি অনুযায়ী ১৯৭ রানের জয় পায় তারা। বলতে গেলে, এদিন আয়ারল্যান্ডের ব্যাটিং ও বোলিং, দুই বিভাগকেই, রীতিমতো হাবুডুবু খাওয়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। 

তবে এই জয়ের চেয়ে বেশি স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শক থেকে শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটপ্রেমীদের দৃষ্টি সবচেয়ে বেশি আকর্ষিত করে দলের তরুণ ক্রিকেটার কিসি কার্টির ব্যাটিং। ১৪২ বলে ১৭০ রানের একটি মারকুটে ইনিংস খেলেন তিনি, যার মধ্যে রয়েছে ১৫টি চার এবং ৮টি ছয়। যদিও তিনি একা নন, অধিনায়ক শেহ হোপ এবং জাস্টিন গ্রিভসও অসাধারণ ব্যাটিং করেন। দুজনেরই ব্যাট থেকে উঠে আসে অর্ধশতরানের ইনিংস। সবমিলিয়ে, এদিন রানের বন্যা বয়ে ব্যাটারদের ব্যাট থেকে।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে নিজের বিধ্বংসী ইনিংসের উপহার পান কিসি কার্টি। তাঁকেই ঘোষণা করা হয় ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়। শুধু ম্যাচের নয়, সিরিজের সেরা ঘোষণা করা হয় সিন্ট মার্টিনের এই তরুণ ক্রিকেটারকে। এরপরই একাধিক বিষয়ে প্রশ্ন করা হয় তাঁকে। যখন কিসি কার্টিকে প্রশ্ন করা হয় সিন্ট মার্টিন থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে প্রথম ক্রিকেটার হয়ে এমন দুর্দান্ত ক্রিকেট উপহার দেওয়া প্রসঙ্গে, সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “এখনো পর্যন্ত এটা আমার কাছে কিছু নয়। আশা করছি আমাকে দেখে অন্যরা অনুপ্রেরণা পাবে।” 

এই বক্তব্য বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে ছড়িয়ে পড়ে এবং এরপরই ক্রিকেটপ্রেমীরা নিজেদের মতামত জানাতে শুরু করেন কমেন্ট বক্সে। অনেকে দাবি করেন যে আগামীদিনে তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটকে আবার তাদের পুরানো ও শক্তিশালী অবস্থায় ফিরিয়ে আনবেন। আবার অনেকে এটাও দাবি করেন যে এখনো অনেককিছু শেখা বাকি আছে তাঁর। তবে দিনের শেষে তরুণ ক্রিকেটারের এমন হাম্বেল জবাব মন ছুঁয়েছে সকলের। এবার দেখার বিষয় যে যেটা আশা করা হচ্ছে তাঁর থেকে, সেটা তিনি ভবিষ্যতে করে দেখাতে পারেন কিনা।

Leave a Comment

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *