দেবজিৎ মুখার্জি: সেই জম্মু ও কাশ্মীরের পোহেলগাঁওয়ে ভারতীয় পর্যটকদের উপর জঙ্গি হামলা থেকে ঘটনার সূত্রপাত। তারপর শত্রুদেশ পাকিস্তানকে রীতিমতো ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছিল ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’এর মাধ্যমে। এমনিতেই দুই দেশ একে অপরের চিরশত্রু। এই ঘটনার পর সম্পর্ক আরো তলানিতে ঠেকে। আঁচ পড়ে ক্রিকেটের উপরও। এমন পর্যায়ে চলে যায় যে ভারতীয় ক্রিকেটাররা হাত মেলাতে চাননি পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সঙ্গে। তার উপর মাঠে ম্যাচ চলাকালীন দুই দলের ক্রিকেটারদের অশান্তি তো রয়েছেই। সবমিলিয়ে, এই মুহূর্তে পরিস্থিতি যেই জায়গায় দাঁড়িয়ে তাতে আগামীদিনে কি হবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
তবে সদ্য শুরু হওয়া নতুন বছরে, অর্থাৎ ২০২৬ সালে, একাধিকবার ক্রিকেটের ময়দানে একে অপরের মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান। দুজনে একে অপরের মুখোমুখি হতে পারে সর্বোচ্চ পাঁচবার তিন মহাদেশে তিনটি টুর্নামেন্ট মিলিয়ে। এছাড়া চলতি বছরে সেপ্টেম্বর মাসে রয়েছে এশিয়ান গেমস। সেখানেও একটা সম্ভাবনা রয়েছে দুই দলের একে অপরের বিরুদ্ধে নামার। যদিও এখনো পর্যন্ত ঘোষিত হয়নি সূচি। তবে ২০২২ সালের এশিয়ান গেমসে একে অপরের মুখোমুখি হয়নি দুই দল। দিনের শেষে ক্রিকেটের মাঠে দুজনের লড়াই যে হাড্ডাহাড্ডি হবে, তা না বললেও চলে।
চলতি মাসের ১৫ তারিখ থেকে শুরু হবে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ। জিম্বাবয়ে ও নামিবিয়ায় খেলা হবে টুর্নামেন্ট। ভারত ও পাকিস্তানের এক গ্রুপে না থাকলেও পরবর্তী রাউন্ডে দুজনের একে অপরের বিরুদ্ধে খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে দেশের মাটিতে ফেব্রুয়ারি মাসের ৭ তারিখ থেকে খেলা হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সেখানে ভারত ও পাকিস্তানের ম্যাচ হবে ১৫ তারিখে। একইভাবে সেখানেও সেমিফাইনাল বা ফাইনালে দুজনের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া মহিলাদেরও ২০ ওভারের বিশ্বকাপ রয়েছে চলতি বছরে। সেখানেও দুই দল রয়েছে একই গ্রুপে। জুন মাসে ১৪ তারিখের ম্যাচটি খেলা হবে ইংল্যান্ডের এজব্যস্টনে। সুতরাং একাধিকবার দুই দেশের মুখোমুখি হওয়ায় যে উন্মাদনার মাত্রাটা কোথায় থাকবে, তা কল্পনার বাইরে বলা ভালো।
