দেবজিৎ মুখার্জি: মাটি হয়ে গেল হাজার হাজার ক্রিকেটপ্রেমীর আনন্দ। বুধবার ভেস্তে গেল ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের চতুর্থ ম্যাচ। চূড়ান্ত দূষণের কারণে ম্যাচ অ্যাবান্ডন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বহুবার ইন্সপেকশন করা হলেও পাওয়া যায়নি বল গড়ানোর সম্ভাবনা। শেষ পর্যন্ত খেলা হবে না বলেই ঠিক করা হয়। স্বাভাবিকভাবে যাঁরা টিকিট কেটেছিলেন মাঠে এই ম্যাচ দেখার জন্য, তাঁরা বেশ হতাশ হন।
বুধবার ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার সিরিজের চতুর্থ ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু লখনৌয়ের একিউআই পৌঁছে যায় চিন্তাজনক জায়গায়। চারশোর কাছাকাছি পৌঁছে যায় সেটি। ৩৮৭ ছিল একিউআই। ধোঁয়াশায় ভরে যায় মাঠের প্রত্যেকটা কোণ। সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ টস হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আবহাওয়া এতটাই খারাপ ছিল যে শেষ পর্যন্ত দুই দলের অধিনায়ক টস করতে পারেননি। মোট ছবার ইন্সপেকশন করা হয় আড়াই ঘন্টা ধরে। যখন কোনও সম্ভাবনাই আর দেখা যাচ্ছে না, তখন অ্যাবান্ডন করতে বাধ্য হয়।
বলে রাখা ভালো, এই মুহূর্তে সিরিজের ফলাফল ২-১। চারটি ম্যাচের মধ্যে তিনটিতে ফল মিলেছে এবং একটি অ্যাবান্ডন করা হয়েছে। প্রথম ম্যাচটিতে বড় ব্যবধানে জয় পায় টিম ইন্ডিয়া। দ্বিতীয় ম্যাচটি জিতে সিরিজে ঘুরে দাঁড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে তৃতীয় ম্যাচটি ফের নিজেদের ঝুলিতে তোলেন সূর্যকুমার যাদব ও তাঁর বাহিনী। এমন পরিস্থিতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে সুযোগ ছিল চতুর্থ ম্যাচ জিতে সিরিজে টিকে থাকা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বল না গড়ানোয়ে চাপে পড়ল তারা।
টিম ইন্ডিয়ার কাছে হয়তো সিরিজ হারার আর কোন সম্ভাবনা নেই। তবে তারা চাইবে অন্তিম ম্যাচটি জিতে এই সিরিজও নিজেদের নামে করার। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে সেটি ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচ হবে। সিরিজে পরাজয় এড়াতে হলে ম্যাচটি জেতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তাদের কাছে। সেক্ষেত্রে দেখার বিষয় যে শেষ ম্যাচে কারা ভালো পারফর্ম করে। কোন দল বাজিমাত করবে এই প্রশ্নই এখন ঘোরাফেরা করছে নেটপাড়ায়। তবে ম্যাচ যে হাড্ডাহাড্ডি হবে, তা না বললেও চলবে।
