বাংলাদেশ থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ভোগের কথা শোনাল ভারতের তিরন্দাজ দল

বাংলাদেশ থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ভোগের কথা শোনাল ভারতের তিরন্দাজ দল

নিউজ ডেস্ক: ফের রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে গোটা বাংলাদেশ। গত বছর যা দেখা গিয়েছিল, এবার যেন তারই রিপিট টেলিকাস্ট দেখা যাচ্ছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, তথা আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো, শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা ঘোষণাকে ঘিরে উত্তপ্ত সেই দেশের পরিস্থিতি। সোমবার রাতে যে ভয়ংকর সংঘর্ষ হয়েছে, তাতে প্রাণ হারিয়েছেন দুজন। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মাঝে নিজেদের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরা হলো ভারতের তিরন্দাজ দলের তরফ থেকে। কীভাবে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছিল তাদের বিমান বাতিলের জেরে, তা তুলে ধরে তারা।

চলতি বছরে আর্চারি এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ হয়েছে ঢাকায়। ভারত থেকে ইউনূসের দেশে গিয়েছিল মোট ২৩ জনের দল। তিনভাগে দল সেখানে যায় কলকাতা, মুম্বাই ও দিল্লি থেকে। মোট দশটি মেডেল জিতেছে তারা, যার মধ্যে সোনা ছটি, রূপো তিনটি এবং ব্রোঞ্জ একটি। ১৪ তারিখে শেষ হয় প্রতিযোগিতা। কিন্তু পরের দিন দেশে ফেরার পথে বিপদের সম্মুখীন হয় ১১ জনের একটি দল। ঢাকা বিমানবন্দর পৌঁছানোর পর তারা জানতে পারে যে বিমান যাত্রা ১০ ঘণ্টা পিছিয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, তাদের আরো অভিযোগ যে পরিষেবা প্রদান করা সংস্থার তরফ থেকেও কোন সাহায্য পাওয়া যায়নি।

দলের ৭ জন বিমানবন্দরে অপেক্ষা করেন গভীর রাত পর্যন্ত এবং তারপর জানতে পারেন যে ফ্লাইট ক্যান্সেল করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে বাধ্য হয়ে তাঁদের একটি জায়গা খুঁজতে হয় রাতে থাকার জন্য। সেই দলে ছিলেন অর্জুন পুরস্কার পাওয়া অভিষেক বর্মাও। সংবাদসংস্থা পিটিআইকে তিনি গোটা ঘটনাটি জানান। কেমন অবস্থায় ছিলেন তাঁরা, সেটাও তুলে ধরেন। 

তিনি বলেন, “যেখানে থাকতে দেওয়া হয়েছিল আমাদের, তা হোটেল নয়, ধরমশালা বলা যেতে পারে বড় জোর। সেখানে ছটা বিছানা ছিল একটা ঘরে। একটি শৌচাগার ছিল, যা বেশ অপরিষ্কার। কেন তোলা হলো আমাদের সাধারন বাসে যেখানে বিমান বাতিল ও শোচনীয় পরিস্থিতি বাইরে? যদি কিছু হয়ে যেত বাসে, তাহলে দায়িত্ব কে নিতো?” পরের দিন সকালে বিমানবন্দরে ফের এলেও তখনো দেরি হতে থাকে বিমান পরিষেবায়, যার ফলে দিল্লি পৌঁছেও বাড়ি ফিরতে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় অনেককে।

Leave a Comment

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *