দেবজিৎ মুখার্জি: বিরাট কোহলি সহ গোটা রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন তেন্ডুলকার। নিজের এক হ্যান্ডেল থেকে তিনি কিং কোহলি এবং গোটা দলের প্রশংসা করেন। তবে পাঞ্জাব কিংসও তাঁর প্রশংসা থেকে বাদ পড়েনি। তাদেরও অভিনন্দন জানিয়েছেন ‘গড অফ ক্রিকেট’। এই পোস্ট এক্স ব্যবহারকারীদের চোখে পড়তেই রীতিমতো কমেন্টের বন্যা বয়েছে। সবাই মাস্টার ব্লাস্টারের এই পোস্টের প্রশংসা করেছেন এবং তাঁর প্রত্যেকটা কথার সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন।
মঙ্গলবার, ৩রা জুন, নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে রজত পতিদারের রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ফাইনাল খেলতে নামে শ্রেয়াস আইয়ারের পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে। প্রথমে ব্যাট করে স্কোরবোর্ডে লড়াকু টোটাল তোলে বেঙ্গালুরু। অন্যদিকে, রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালোই হয়েছিল পাঞ্জাবের। তবে মাঝের ওভারগুলিতে উইকেট পড়তে থাকায় চাপে পড়ে যায় তারা এবং অবশেষে অল্পের জন্য জয় ও ট্রফি থেকে বঞ্চিত হতে হয়। ৬ রানে ম্যাচ জেতার পাশাপাশি খেতাবও নিজেদের ঝুলিতে তোলে আরসিবি।
বেঙ্গালুরুর প্রথম আইপিএল খেতাবে শুধু সেখানকার মানুষই নন, গোটা ভারতীয় ক্রিকেট খুশি। অধিকাংশ ক্রিকেটপ্রেমী নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এই তালিকায় ছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন তারকা শচীন তেন্ডুলকারও। তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডেল থেকে অভিনন্দন জানান গোটা দলকে। বিশেষ করে বিরাট কোহলিকে। পাঞ্জাবও যেভাবে গোটা মরশুমে খেলেছে, সেটারও প্রশংসা করেন তিনি। বলতে গেলে, দুই দলের লড়াইয়ে মুগ্ধ হন তিনি।
কি লেখেন তিনি? শচীন তেন্ডুলকার নিজের পোষ্টে লেখেন, “প্রথম আইপিএল ট্রফির জন্য শুভেচ্ছা জানাই আরসিবিকে। ১৮তম মরশুমে প্রথম খেতাব জিতলো ১৮ নম্বর জার্সি পড়া খেলোয়াড়টি। ওরা যোগ্য চ্যাম্পিয়ন। বেশ ভালো খেলেছে ওরা। অভিনন্দন জানাতে চাই পাঞ্জাব কিংসকেও। ওরাও গোটা মরশুমে দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলেছে।” এই পোস্ট চোখের নিমেষে ছড়িয়ে পড়ে চারিদিকে এবং এরপর কমেন্ট বক্সে শুরু হয় মতামতের বন্যা। সকলেই নিজেদের অবস্থান জানান সেখানে। অধিকাংশই বিরাটের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।
প্রসঙ্গত, এর আগে দুই দলই ফাইনাল খেলেছে। তবে ট্রফির কাছাকাছি যাওয়া সত্ত্বেও তা নিজেদের নামে করতে সফল হয়নি। তবে শেষ পর্যন্ত স্বপ্নপূরণ হয়েছে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর। বছরের পর বছর ধরে চলতে থাকা লড়াইয়ের ইতি হয়েছে অবশেষে। এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত পাঞ্জাবও নিজেদের নামে এই ট্রফি করতে পারে কিনা ভবিষ্যতে। তবে তার জন্য তাদের অপেক্ষা করতে হবে আগামী মরশুমের।
