দেবজিৎ মুখার্জি: এই মুহূর্তে শুভমান গিল নেতৃত্বাধীন ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান লক্ষ্য গুয়াহাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট জেতা এবং সিরিজে পরাজয় এড়ানো। তবে তার আগে ইডেন গার্ডেন্সে হওয়া ঘটনা যে তাদের ভিতরে পিচ নিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেছে, তা না বললেও চলে। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে যে গুয়াহাটিতে কি অপেক্ষা করছে ‘মেন ইন ব্লু’র জন্য। সকলের মনেই এখন এই প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে যে কেমন পিচে খেলবেন দুই দলের ক্রিকেটাররা। স্বাভাবিকভাবেই, আগ্রহ দলের ক্রিকেটারদের থেকে শুরু করে সকল ক্রিকেটপ্রেমীর তুঙ্গে পৌঁছে গিয়েছে।
এই আবহাওয়ায় জানা গিয়েছে যে এমন এক পিচ দুই দলের জন্য অপেক্ষা করছে যেখানে সবকিছুই থাকবে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও কিউরেটরের মতে, গুয়াহাটির উইকেট থাকবে অতিরিক্ত গতি ও বাউন্সে ভরা। তবে এখানেই শেষ নয়, এর চেয়েও যেই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সেটি হল টার্ন তাড়াতাড়িই হবে। আশা করা হচ্ছে যে প্রথম দুই দিন লিমিটেড ওভার ফরম্যাটের মতো পিচে থাকবে সঠিক বাউন্স, যার ফলে শট খেলার সুযোগ পাবেন ব্যাটাররা। তবে বোলাররাও বিপদ ডেকে আনতে পারেন। শুধু তাই নয়, এটাও মনে করা হচ্ছে তৃতীয় ও চতুর্থ দিনে উইকেট নিজের আসল রং দেখাবে এবং ভালোভাবে কাজ করবে স্পিন ও রিভার্স সুইং। সবমিলিয়ে মনে করা হচ্ছে যে পিচ থেকে দুই দলই যেমন সুবিধা পাবে, তেমনি সমস্যার সম্মুখীন হবে।
বলে রাখা ভালো, ভূপেন হাজারিকা স্টেডিয়ামে এই প্রথম টেস্ট ম্যাচ হতে চলেছে। প্রসঙ্গত, ইডেন টেস্টে প্রথমে ব্যাট করে ১৫৯ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে লিড নিতে নেমে বড় রান করতে পারেনি ভারত। ১৮৯ রানে শেষ হয়ে যায় তাদের প্রথম ইনিংস। অন্যদিকে দ্বিতীয়বার ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকাও তেমন দাগ কাটতে সফল হয়নি। ১৫৩ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। তবে সহজ টার্গেট ভারতও চেজ করতে পারেনি। ৯৩ রানের সবকটি উইকেট হারায় তারা। অর্থাৎ ৩০ রানে ম্যাচ জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। সিমন হার্মার হন প্লেয়ার অফ দ্যা ম্যাচ।
