দেবজিৎ মুখার্জি: আর কদিন পরই শুরু হবে ডিসেম্বর মাস। জমিয়ে পড়বে শীত। যদিও নভেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে যে আবহাওয়া হবে বলে আশা করা হয়েছিল, তা এখনো পর্যন্ত হয়নি। সকাল বা রাতের দিকে সামান্য শিরশশিরে আমেজ থাকলেও জোরকদমে ঠান্ডা পড়েনি। তবে এরই মাঝে আসতে চলেছে কিছু চিন্তাজনক। কী সেই ব্যাপার? চোখ রাঙানো শুরু হয়েছে নিম্নচাপের। তেড়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘সেনিয়ার’এর। যদিও সেক্ষেত্রে প্রশ্ন থাকছে যে রাজ্যে কি এর প্রভাব পড়ার কোনও সম্ভাবনা রয়েছে কিনা। এই পর্যন্ত জানা গিয়েছে যে সেই সম্ভাবনা নেই।
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে যেই নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও সংলগ্ন মালাক্কা প্রণালীতে, তা পরিণত হয়েছে পরিষ্কার নিম্নচাপে, যা ক্রমশ এগোচ্ছে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে। এখানেই শেষ নয়, আগামী দু’দিনে যে তা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে, সেই সম্ভাবনাও রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় ‘সেনিয়ার’ নামটি দেওয়া হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর তরফ থেকে, যার মানে সিংহ। জানা গিয়েছে যে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের দিকে এটি ক্রমশ এগোবে। শুধু তাই নয়, ল্যান্ডফলের একটি সম্ভাবনা পর্যন্ত রয়েছে বিশাখাপত্তনমের কাছাকাছি নভেম্বরের শেষ কি ডিসেম্বরের কাছাকাছি। এছাড়া ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে আগামী কয়েক দিন আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে।
যদিও বাংলায় এর প্রভাব সরাসরি পড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই জানা যাচ্ছে এখনো পর্যন্ত। তবে সম্ভাবনা রয়েছে হাওয়ার গতি পরিবর্তনের নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সামান্য কমেছে আপাতত কলকাতা সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে। আগামী পাঁচদিন ১৭ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ১৪ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে থাকবে কলকাতা এবং জেলায় তাপমাত্রা। এদিন সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ০.৩ ডিগ্রি কম স্বাভাবিকের তুলনায়। আগামী ২৪ ঘন্টায় তাপমাত্রা ১৯-২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে শহরে বলেই জানা যাচ্ছে। রাতে এবং প্রচন্ড ভরে বজায় থাকবে হালকা শীতের আমেজ। এমনকি রাজ্যে কুয়াশার সম্ভাবনাও বাড়বে আগামী ২-৩ দিন।

