দেবজিৎ মুখার্জি: “আগে এই কনফিডেন্স ছিলোনা” পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ম্যাচের সেরা হয়ে এমনটাই জানালেন দিল্লি ক্যাপিটালসের তরুণ ক্রিকেটার সমীর রিজভি। পোস্ট-ম্যাচ প্রেজেন্টেশনে তিনি আরো জানান যে গত ২-৩ মাস পরিশ্রম করেছিলেন তিনি এবং সেটারই ফল পেয়েছেন। এছাড়া কিভাবে তিনি নিজের ইনিংস গুছিয়েছিলেন সেই প্রসঙ্গেও বক্তব্য রাখেন। তরুণ ক্রিকেটারের বক্তব্য, যখন তিনি ব্যাট করতে আসেন তখন ১০০ রানেরও বেশি দরকার ছিল জেতার জন্য এবং প্রথম ৩-৪টি বল দেখে শট খেলা শুরু করেন।
শনিবার, ২৪শে মে, জয়পুরের সাওয়াই মানসিং স্টেডিয়ামে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে নিয়মরক্ষার ম্যাচ খেলতে নামে দিল্লি ক্যাপিটালস। টসে জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেয় দিল্লি। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে বিশাল রান তুলতে সফল হয় পাঞ্জাব। সৌজন্যে অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারের দুর্দান্ত ব্যাটিং। এছাড়াও ঝড়ের গতিতে রান করেছেন জশ ইংলিস এবং মার্কাস স্টইনিস। ইংলিস করেন ১২ বলে ৩২ এবং স্টইনিস ১৬ বলে ৪৪ রান। বলতে গেলে, ব্যাট হাতে নিজেদের দাপট অব্যাহত রেখেছে তারা।
জবাবে রান তাড়া করতে নেমে দিল্লিও ঝড়ের গতিতে রান করা শুরু করে। তবে বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকতে পারেননি দুই ওপেনার কেএল রাহুল ও ফ্যাফ ডু প্লেসি। সেদিকুল্লাহ আতালও দ্রুত গতিতে রান করতে গিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। তিনি করেন ২২। এরপর সমীর রিজভিকে নিয়ে বড় পার্টনারশিপ গড়েন করুন নায়ার। ১৫ ওভার শেষে আউট হন নায়ার। অবশেষে ট্রিস্টান স্টাব্সকে নিয়ে দলকে ফিনিশ লাইন পার করান সমীর রিজভি। তিনি অপরাজিত থাকেন ৫৮ রানে। ছয় উইকেটে ম্যাচ নিজেদের ঝুলিতে তোলে দিল্লি। ম্যাচের সেরা হন রিজভিই।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে রিজভি নিজের ইনিংস প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, “সত্যিই খুব ভালো লাগছে। গত ২-৩ মাস আমি যে পরিশ্রম করেছি, সেটার ফল পেয়েছি। আমার মধ্যে সেই কনফিডেন্স আগে ছিলোনা যে এমন একটা বড় মঞ্চে আমি এমন খেলা দেখাতে পারবো। তবে একটা ইনিংসের পর সেটা আসে এবং এখন আমার মনে হয় যে আমি পারবো। যখন আমি ব্যাট করতে আসি তখন ১০০ রানেরও বেশি দরকার জেতার জন্য। প্রথম ৩-৪টি বল আমি দেখে খেলি এবং তারপর চালিয়ে খেলা শুরু করি।” প্রসঙ্গত, এদিন প্রথমে ব্যাট করে পাঞ্জাব ২০ ওভার শেষে তুলেছে ৮ উইকেটে ২০৬। তিন বল বাকি থাকতে দিল্লি ম্যাচ শেষ করে মাত্র চারটি উইকেট হারিয়ে। অর্থাৎ ছয় উইকেটে জেতে তারা।
