ক্রুনালের সাফল্যে খুশি হার্দিক, চোখে জল দাবি এমআই অধিনায়কের 

ক্রুনালের সাফল্যে খুশি হার্দিক, চোখে জল দাবি এমআই অধিনায়কের 

দেবজিৎ মুখার্জি: ভাই ক্রুনালের সাফল্যে চোখে জল হার্দিকের। যেভাবে ক্রুনাল পান্ডিয়া তাঁর দল রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে ফাইনাল জিতিয়েছেন, তা মুগ্ধ করেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ককে। এই ট্রফি জেতায় পান্ডিয়া পরিবারে এলো নবম খেতাব। এই ব্যাপারে লিখেছেন হার্দিক এবং জানিয়েছেন যে তাঁর চোখে জল আসছে এটা দেখে। এখানেই শেষ নয়, তিনি আরো লেখেন যে তিনি ক্রুনালের সাফল্যে গর্বিত। সবমিলিয়ে, পান্ডিয়া পরিবারে এখন বইছে খুশির হাওয়া। 

মঙ্গলবার, ৩রা জুন, গুজরাটের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আইপিএল ফাইনাল খেলতে নামে আরসিবি ও পাঞ্জাব কিংস। টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন পাঞ্জাব অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার। প্রথমে ব্যাট করে স্কোরবোর্ডে লড়াই করার মতো রান তোলে বেঙ্গালুরু। তবে দলের কোন ব্যাটারই ৫০ রানের ইনিংস খেলতে পারেননি। পাঞ্জাবের বোলাররা শেষের ওভারগুলিতে রান আটকাতে সফল হয়েছিলেন। প্রথমে মনে করা হচ্ছিল যে বড় রান করবে আরসিবি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২০০ রানের নিচে আটকে দিতে সফল হয় পাঞ্জাব। 

জবাবে রান তাড়া করতে নেমে পাঞ্জাব শুরুটা বেশ ভালোই করে। তবে আসল বিপর্যয় ঘটে মাঝের ওভারগুলিতে। তখন একাধিক উইকেট হারান শ্রেয়াস আইয়াররা, যার ফলে চাপে পড়ে যায় তারা। এতটাই তাদের চেপে ধরে বেঙ্গালুরুর বোলাররা যে শেষ পর্যন্ত টার্গেটের কাছাকাছি এসেও ফিনিশ লাইন পার করতে পারেনি পাঞ্জাব। শেষ ওভারের দরকার ছিল ২৯ রান। বলছিল জশ হেজেলউডের হাতে। তবে সেই ওভারে ২২ রান করেন শশাঙ্ক সিং। মাত্র ৭ রানের জন্য ট্রফি হাতছাড়া হয় পাঞ্জাবের। অর্থাৎ ম্যাচ ৬ রানে নিজেদের পকেটে তুলে আরসিবি এবং তোলে নিজেদের প্রথম আইপিএল খেতাবও।

তবে এই জয়ের মূল কারিগর ক্রুনাল পান্ডিয়া। বল হাতে তিনি নিজের চার ওভারের কোটায় দেন মাত্র ১৭ রান এবং তোলেন দুটি উইকেট। বলা যায়, তিনি রীতিমতো পাঞ্জাবের রান করার গতি কমিয়ে দেন, যা চাপে ফেলে তাদের এবং শেষ পর্যন্ত আরসিবিকে তাদের প্রথম আইপিএল ট্রফি পাইয়ে দেয়। তাঁকেই ম্যাচের সেরা ঘোষণা করা হয়। এই পারফরম্যান্সে শুধু দল নয়, খুশি গোটা পান্ডিয়া পরিবারও। তাদের ঘরে নবম ট্রফি আসে। খুশিতে চোখে জল আসে হার্দিকের। তিনি লেখেন, “এটা দেখে আমার চোখে জল আসছে। তোর জন্য আমি গর্বিত।”

Leave a Comment

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *