দেবজিৎ মুখার্জি: “যথেষ্ট অভিজ্ঞতা অর্জন করা হয়েছে” ভারতীয় ক্রিকেট দলকে ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দেওয়া প্রসঙ্গে এমনটাই জানালেন দলের তারকা ক্রিকেটার শ্রেয়াস আইয়ার। সম্প্রতি, তিনি এই বিষয় নিজের অবস্থান জানান এবং দাবি করেন যে যেহেতু তিনি ২২ বছর বয়স থেকে অধিনায়কত্ব করছেন, তাই তিনি বহুৎ অভিজ্ঞতা অর্জন করে ফেলেছেন। এখানেই শেষ নয়, তিনি এটাও দাবি করেন যে দলকে নেতৃত্ব দিতে ভালোবাসেন এবং প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করেন। বলতে গেলে, তিনি বুঝিয়ে দিলেন যে আগামী দিনে তিনি ইন্ডিয়াকে নেতৃত্ব দিতে রাজি।
সামনেই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। তার আগে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় ফরম্যাটকে চিরবিদায় জানান ভারতীয় ক্রিকেট দলের তারকা রোহিত শর্মা। যদিও তিনি একা নন, টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বিরাট কোহলিও। এমন পরিস্থিতিতে কাকে করা যেতে পারে অধিনায়ক? সবদিক ভেবে বোর্ডের তরফ থেকে এই দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় শুভমান গিলের কাঁধে। তিনি দলকে নেতৃত্ব দেবেন আসন্ন টেস্ট সিরিজে। অনেকে মনে করছেন যে এটি একটি বড় পরীক্ষা তাঁর কাছে। ক্রিকেটপ্রেমীরা এটাও দাবি করছেন যে এই পরীক্ষায় তিনি পাশ করতে পারলে ভবিষ্যতে আরও বড় কিছু অপেক্ষা করছে তাঁর জন্য।
যদিও একদিনের ক্রিকেট খেলা চালিয়ে যাবেন রোহিত ও বিরাট দুজনেই। ইতিমধ্যেই, দুই তারকা পরিষ্কার করে দিয়েছেন যে ২০২৭ সালের ওডিআই বিশ্বকাপ তাঁরা খেলবেন। বিরাটের খেলার সম্ভাবনা থাকলেও রোহিতের ক্ষেত্রে চাপ হয়ে দাঁড়াচ্ছে বয়স। কারণ ততদিনে তিনি ছুঁয়ে ফেলবেন ৪০এর গণ্ডি। সাধারণত, সেই বয়সে ফর্ম ও ফিটনেস দুটোই থাকে না ক্রিকেটারদের। পাশাপাশি, এক্ষেত্রে ক্যাপ্টেন্সি ফ্যাক্টরটাও থেকে যাচ্ছে।
যদিও বোর্ড সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে এখন থেকেই ময়দানে নেমে পড়া হয়েছে পরবর্তী অধিনায়ক খোঁজার জন্য। অনেকে মনে করছেন যে গিলের কাঁধেই তিনটি ফরম্যাটের দায়িত্ব যেতে পারে। আবার অনেকে মনে করছেন যে এই দায়িত্ব পেতে পারেন শ্রেয়াস আইয়ার। কারণ আইপিএলে তাঁর অধিনায়কত্বের রেকর্ড দারুণ। একবার দলকে ট্রফি পাইয়ে দিয়েছেন এবং দুবার ফাইনালে নিয়ে গেছেন। বলা বাহুল্য, শ্রেয়াসের পাল্লাই বেশি ভারি গিলের। এবার এই ব্যাপারে সম্প্রতি নিজের মতামত জানিয়েছেন শ্রেয়াস। তিনি বলেছেন, “অনেক দায়িত্ববোধ নিয়ে আসে ক্যাপ্টেন্সি। আমি ২২ বছর বয়স থেকে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছি এবং আমি মনে করি যে আমার যথেষ্ট অভিজ্ঞতা অর্জন করা হয়েছে। আমি দলকে নেতৃত্ব দিতে ভালোবাসি এবং প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করি অধিনায়কত্বের।” এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত শ্রেয়াস দায়িত্ব পান কিনা।
