দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: শুক্রবার সকালে তৈরি হলো আতঙ্কের পরিস্থিতি। কী কারণে এমনটা হল? ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল কলকাতা সহ গোটা বাংলা। স্বাভাবিকভাবেই এমন একটি ঘটনা ভয় পরিবেশ তৈরি করে কিছুক্ষণের জন্য রাজ্যবাসীর অন্দরে। শুধু তাই নয়, বহু অফিসের কর্মীরা ভূমিকম্প হওয়ার পরই বাইরে বেরিয়ে আসেন। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মেও ভূমিকম্প সম্পর্কে একাধিক পোস্ট দেখা যায়।
এদিন সকালে ১০ টা বেজে ৮ মিনিটে কম্পন অনুভব করেন সকলে। জানা গিয়েছে, এর উৎসস্থল বাংলাদেশের নরসিংদীর কাছে, মাটির ১০ কিলোমিটার গভীরে এবং সেটারই এফেক্ট পড়ে পশ্চিমবঙ্গে। তবে বিষয়টি জানাজানি হতে অনেকেই সমাজমাধ্যমে এই নিয়ে পোস্ট করেন। অনেকে দাবি করেছেন যে তাঁরা কম্পন অনুভব করেছেন। আবার অনেকে তা অনুভব করেননি। কিন্তু দিনের শেষে কিছুক্ষণের জন্য অনেকেই বেশ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন।
জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন অনুযায়ী এদিন কম্পনের জেরে হঠাৎ নড়াচড়া করতে শুরু করে বোতলে থাকা জল। শুধু তাই নয়, লাইট ও ফ্যানও ঝুলতে থাকে। তা দেখেই বহুতলের বাসিন্দারা বুঝতে পারেন যে কি হতে চলেছে। তাই সময় নষ্ট না করে তড়িঘড়ি সকলে বেরিয়ে আসেন। একই চিত্র দেখা যায় অফিসের ক্ষেত্রেও। বাইরে ভিড় দেখা যায় একগুচ্ছ কর্মীর। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম বিভিন্ন দাবি করেছে কম্পনের সময় নিয়ে।
কম্পনের জেরে বাংলায় কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশে কম্পন অনুভূত হয়েছে ঢাকা, চাঁদপুর, নীলফামারী, বগুড়া, বরিশাল, মৌলভীবাজার, নারায়ণগঞ্জ, পটুয়াখালীতে। বলে রাখা ভালো, এই প্রথমবার নয়, এর আগেও একাধিকবার ভূমিকম্পের কম্পন অনুভব করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষরা। তবে আজকের ঘটনায় যেন এক আলাদা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল বলে মনে করছেন অনেকে। এই নিয়ে সমাজমাধ্যমে এখনো জারি রয়েছে পোস্ট করা। সকলেই এই ব্যাপারে নিজেদের মতামত প্রকাশ করেছেন। তবে অনেকে আবার আজকের কম্পন অনুভব করতে পারেননি বলে দাবি করেছেন।
