দেবজিৎ মুখার্জি: লখনৌতে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের চতুর্থ ম্যাচ ভেস্তে যাওয়ায় হতাশ হয়েছেন দেশের সকল ক্রিকেটপ্রেমী। নির্ধারিত সময়ের আড়াই ঘণ্টা পরও ইন্সপেকশন চলে। মোট বার ছয়েক ইন্সপেকশন করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি খারাপ দেখে ম্যাচ বাতিল করা হয়। অর্থাৎ টিম ইন্ডিয়ার কাছে আর সিরিজে পরাজয়ের কোন সম্ভাবনা নেই। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে অন্তিম ম্যাচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিরিজে পরাজয় এড়াতে হলে। তারা যদি যেতে তাহলে সিরিজ শেষ হবে ২-২ ফলাফলে।
তবে লখনউতে এই ম্যাচ হওয়া নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। ওয়াকিবহল মহলের মতে শীতের সময় যে বায়ুদূষণ ভয়াবহ আকার নেয় উত্তর ভারতে, তা কারোর কাছেই অজানা নয়। লখনৌতে যে এমন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, তা অস্বাভাবিক নয়। তাহলে কিসের ভিত্তিতে এখানে ম্যাচ খেলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই এই প্রশ্ন এখন চারিদিকে ঘোরাফেরা করছে। রাজ্য সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের জন্য দায়ী হলেও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে যে কেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এখানে ম্যাচ খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে? বলা ভালো, সমানভাবেই দুজনকে দায়ী করা হচ্ছে এমন পরিস্থিতির জন্য।
বোর্ড মহলের অনেকে দাবী করছেন যে এই সময় উত্তর ভারতে ম্যাচ দেওয়া বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়। আগামী মাসের কিউইদের বিরুদ্ধে টিম ইন্ডিয়া সাদা বলের সিরিজ, যা রাখা হয়েছে দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতের শহরগুলিতে। আসলে রোটেশনের ভিত্তিতে বোর্ডের তরফ থেকে ভেনিউ ঠিক করা হয় এবং সেই অনুযায়ী দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ উত্তর এবং নিউজিল্যান্ড সিরিজ পশ্চিম ও দক্ষিণ ভারতে রাখা হয়েছে। কিন্তু বিষয়টা বদলানো সম্ভব ছিল। ডিসেম্বরের এই ম্যাচ দক্ষিণ ও জানুয়ারির আসন্ন সিরিজ উত্তর ভারতে করা যেত এবং তাতে এতটা ভয়ংকর রূপ নিতে না দূষণের পরিস্থিতি। তবে সিরিজের বিষয়টা এখন নির্ভর করছে অন্তিম ম্যাচের ম্যাচের উপর।

