ময়মনসিংহের ঘটনায় আঁতকে উঠল নেটপাড়া 

ময়মনসিংহের ঘটনায় আঁতকে উঠল নেটপাড়া 

নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সাল থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিল বাংলাদেশের। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে ভারত চলে আসার পর থেকে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে বাংলাদেশে। বিভিন্ন প্রান্তে থাকা ‘আওয়ামি লিগ’এর নেতা ও কর্মীদের হত্যা করা হয়। যদিও রাজনৈতিক বিষয়টিতে যাবে না ‘এ বাংলার মুখ’। শুধু তাই নয়, প্রতিটি প্রান্তে চরম নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন, বলা ভালো হয়ে চলেছেন, হিন্দুরা। বাড়িঘর ভাঙচুর থেকে শুরু করে মন্দির ভাঙচুর, এমন একাধিক ঘটনা ঘটে এবং ঘটে চলেছে। যদিও আরো একবার বলে রাখার প্রয়োজন মনে করি যে ‘এ বাংলার মুখ’ ধর্ম বা রাজনীতির মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলির মধ্যে নাক গলাবে না। কারণ আমাদের উদ্দেশ্য মানুষের কাছে দৈনন্দিনের চিত্রের পাশাপাশি বাস্তব সত্য তুলে ধরা।

গত শুক্রবারও ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখা গিয়েছে মুজিবের দেশে। বলা ভালো, এই মুহূর্তে হিংসার আগুনে জ্বলছে গোটা বাংলাদেশ। তবে এমন একটি দৃশ্য জনসম্মুখে এলো, যা দেখে আঁতকে উঠেছেন সেই দেশের নাগরিক থেকে শুরু করে সকল নেটিজেন। বলতে গেলে, এই বিষয়টি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘হট টপিক’ হয়ে উঠেছে। দিপু দাস নামে ‘আওয়ামি লিগ’এর এক কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় ময়মনসিংহে। সমাজমাধ্যমে যেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে যে একদল যুবক তাঁকে হত্যা করার পর তাঁর দেহ গাছে ঝুলিয়ে দিয়েছে। শুধু তাই নয়, তাতে আগুন ধরিয়ে রীতিমতো চলছে পৈশাচিক উল্লাস। এমন ভয়াবহ দৃশ্য দেখে বেশ ভয় পেয়েছেন নেতিজেনরা।

তবে ওপার বাংলায় হওয়া এই ঘটনার আঁচ পড়েছে গোটা বিশ্বেও। বিশেষ করে এপার বাংলায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এই ভিডিও নিয়ে এখন চলছে জোড় আলোচনা। কিন্তু এর মধ্যে ঢুকেছে রাজনীতিও, যে অংশটিতে আমরা যাব না। তবে নেটিজেনরাও এই ভিডিও পোস্ট করে নানারকম মন্তব্য করে যাচ্ছেন। বিস্তারিতভাবে বলতে গেলে, সকলে এই ঘটনার নিন্দা করলেও কেউকেউ মুসলিমদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন এবং হিন্দুদের জেগে উঠতে বলছেন। আবার অনেকে যদিও সবকিছুর মাঝেও সম্প্রীতি বজায় রাখার কথা বলছেন। শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই বাস্তব যে এই ঘটনার জেরে দু’ভাগে ভাগ হয়ে গেছে, নেটপাড়া – একাংশ যাঁরা পাল্টা দেওয়ার কথা বলছেন এবং আরেকাংশ যাঁরা সেকুলারিজমের পথে হাঁটছেন। ‘এ বাংলার মুখ’ চায় যেন সকলে এই কঠিন সময়ে হিন্দু-মুসলিম ভুলে একে অপরের পাশে দাঁড়াক।

পুনশ্চ: আমাদের এই প্রতিবেদনের লক্ষ্য হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করা নয়। বাংলাদেশে যে ঘটনাটি ঘটেছে, আমরা সেই অংশটাই তুলে ধরেছি। কারণ এই মুহূর্তে তা নিয়ে বড় আলোচনা চলছে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে অলিতে-গলিতে। রাজনীতির অংশটি বাদ দিয়ে আমরা এই প্রতিবেদনটি লিখেছি।

Leave a Comment

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *