দেবজিৎ মুখার্জি: দেশের সিনেমাপ্রেমীরা বর্তমানে ভুগছে ‘ধুরন্ধর’ জ্বরে। বিশেষ করে অক্ষয় খান্না অভিনীত চরিত্র ‘রহমান ডাকাত’ এন্ট্রি মিউজিক, তা যেন ৮ থেকে ৮০ সকলের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে। শুধু দেশের মাটিতেই নয়, বিদেশের বাজারেও দারুন ব্যবসা করে চলেছে ‘ধুরন্ধর’। ১০০ কোটি ছাড়িয়ে ফেলেছে ছবির বক্স অফিস কালেকশন। এক কথায় বলতে গেলে, ‘ধুরন্ধর’এর সামনে কোন ছবিই দাগ কাটতে পারছে না।
তবে ব্যাপক লাভের মুখ দেখলেও ব্যাপক পরিমাণের ক্ষতি সম্মুখীন হতে হয়েছে ‘ধুরন্ধর’কে। কী সেই ক্ষতি? যেহেতু ছবিটি পাকিস্তান বিরোধী, তাই বিশ্বের সমস্ত দেশে মুক্তি পেলেও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে নিষিদ্ধ হয়েছে। বর্তমানে যে গতিতে ছবিটি ব্যবসা করে চলেছে, তাতে অনেকেই হয়তো মনে করছেন যে খুব বিশেষ ক্ষতি হয়নি। কিন্তু ছবির ডিস্ট্রিবিউটরের মতে অনেকটাই ক্ষতি হয়েছে। ক্রিটিকালি ও কমার্শিয়ালি ছবিটি সাফল্যের মুখ দেখলেও মধ্যপ্রাচ্যে মুক্তি না পাওয়ায় প্রায় ১০০ কোটি টাকার কাছাকাছি ক্ষতি হয়েছে।
ডিস্ট্রিবিউটরের বক্তব্য, “মধ্যপ্রাচ্যে যখন কোন অ্যাকশন ছবি মুক্তি পায়, তখন তা ব্যাপক সাফল্যের মুখ দেখে। সেক্ষেত্রে ধুরন্ধর মুক্তি না পাওয়ায় প্রায় ১০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৯০ কোটি) থেকে পিছিয়ে রয়েছে। যদি মুক্তি পেত, তাহলে অনায়াসে এতটা লাভ করতে পারত। তবে হ্যাঁ, এটাও বলতে হয় যে প্রতিটা দেশেরই একটা নির্দিষ্ট নিয়মকানুন রয়েছে, যা মেনে চলা এবং সম্মান করা উচিত। একটা কারণ থাকে প্রতিটা ঘটনার পেছনে এবং সেটা মেনে চলা উচিত।”
যদিও এর সঙ্গে তিনি এটাও পরিষ্কার করে দেন যে, “ছবি মুক্তিতে বাঁধা এসেছে, আমরা প্রথম নই। এর আগে এমনটা ঘটেছিল ফাইটার ছবির ক্ষেত্রেও। তবে এসবের মাঝেই এটা বলতে হয় যে সমস্ত বাধা পেরিয়ে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে ধুরন্ধর। জমিয়ে ব্যবসা করেছে।” মুক্তির এতদিন হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও সোশ্যাল মিডিয়ায় এখনো ক্রেজ একই রয়ে গেছে রণবীর সিং, সঞ্জয় দত্ত, অর্জুন রামপাল, অক্ষয় খান্না অভিনীত ছবিটির।
