নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বের এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অসাধারণ ফুটবল তুলে ধরলেন ইংল্যান্ডের তরুণ ফুটবলাররা। এক কথায় বলতে গেলে, রীতিমতো আগ্রাসী খেলা দেখালেন তারা। কোনভাবেই দাঁড়াতে দেননি আলবানিয়াকে। নিজেদের ঘরের মাঠে দাপটের সঙ্গে ম্যাচ জিতে নিয়েছেন তাঁরা। ২-০ ফলাফলে ইংল্যান্ড পরাজিত করে আলবানিয়াকে। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত অ্যাটাকিং ফুটবলের চেয়েও বেশি সকলের নজর কেড়েছে দলের বল পোজেশন। একেবারে দাঁড়াতেই পারেনি আলবানিয়া।
ম্যাচটি ছিল ওয়েম্বলে স্টেডিয়ামে। বাঁশি বাজতেই আক্রমণ শুরু করে ইংল্যান্ড। পাসিং ফুটবলের মাধ্যমে তারা চাপে ফেলতে থাকে আলবানিয়াকে। কিন্তু প্রথম ১৯ মিনিটে বিপক্ষ দলের জালে বল জড়াতে সফল হয়নি তারা। কোনভাবে রক্ষণভাগকে কাজে লাগিয়ে গোল হজম করা থেকে নিজেদের রক্ষা করছিল আলবানিয়া। কিন্তু ম্যাচের ২০তম মিনিটে প্রথম আঘাতটি আনতে সফল হয় ইংল্যান্ড। গোল করে দলকে এগিয়ে দেন লুইস-স্কেলি। স্টেডিয়ামে উপস্থিত ইংল্যান্ডের সমর্থকরা রীতিমতো আনন্দে ফেটে পড়েন। আলবানিয়ার তরফ থেকেও চেষ্টা করা হয় সমতা ফেরানোর, কিন্তু তারা তাতে সফল হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ স্কোরলাইনে।
দ্বিতীয়ার্ধেও দেখা যায় একই ছবি। আবারো আক্রমণের পর আক্রমণ করতে থাকে ইংল্যান্ড যা রুখতে থাকে আলবানিয়া গোলরক্ষক ও রক্ষণভাগ। কিন্তু এবারও কাটে তাল। ৭৭ মিনিটে দলকে দ্বিতীয় গোল পাইয়ে দেন তারকা স্ট্রাইকার হ্যারি কেন। এরপর ম্যাচে কামব্যাকের সমস্ত আশাই একপ্রকার বন্ধ হয়ে যায় আলবানিয়ার। সবরকম চেষ্টা করে তারা ঠিকই ঘুরে দাঁড়ানোর, কিন্তু তা কাজে আসেনি। উল্টে আরো আক্রমণের ঝাঁজ বাড়ায় ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ নিজেদের নামে করতে সফল হয় হোম টিম ২-০ গোলে।
এই জয় দেখে রীতিমতো খুশি হয়েছেন ইংল্যান্ডের ফুটবলপ্রেমীরা। প্রাক্তন ফুটবল তারকারাও দলের তরুণ ফুটবলারদের প্রতিভা দেখে মুক্ত হয়েছেন। সকলেই প্রশংসা করেছেন তাঁদের। সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলিতেও বইছে অভিনন্দনের বন্যা। অনেকেই মনে করছেন যে এমন ফুটবল বিশ্বকাপে দেখাতে পারলে দ্বিতীয় ট্রফি নিশ্চিত ইংল্যান্ডের। যদিও সেই পর্যন্ত পৌঁছাতে এখনো অনেকটা রাস্তা হাঁটতে হবে তাদের। এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত কি হয় ইংল্যান্ডের পরিণাম। তা জানা যাবে আর কিছুদিনের মধ্যে। প্রসঙ্গত, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ খেলা হবে জুন মাস থেকে এবং এবারের আয়োজক দেশ মেক্সিকো কানাডা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
