দেবজিৎ মুখার্জি: এই মুহূর্তে দেশের সিনেমাপ্রেমীরা ‘ধুরন্ধর’ ছবির নেশায় বুঁদ। ৮ থেকে ৮০, সকলেই যে এখন এই ছবি নিয়ে আলোচনা করছেন, তা বলাই যায়। শত বিতর্কের মাঝেও যেভাবে ছবিটি মুক্তি পেয়ে দর্শকদের মন জয় করেছে, তা সত্যিই প্রশংসা করার মতো। বক্স অফিসে দাপট ও ব্যবসা অব্যাহত এই ছবির। শুধু দেশের মাটিতেই নয়, বিদেশের মাটিতেও জনপ্রিয় হয়েছে ছবিটি। সম্প্রতি, একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে পাকিস্তানের এক বিয়েবাড়িতে ছবির গানে নাচানাচি করছেন কয়েকজন।
এবার ‘ধুরন্ধর’ ছবিকে কাজে লাগানো হলো দিল্লি পুলিশের তরফ থেকে। বাহারিনের ব়্যাপার হুসাম অসীম, ওরফে ফ্লিপ্পেরাচির ব়্যাপকে সমাজ সচেতনতার কাজে লাগালো তারা। সম্প্রতি, তাদের তরফ থেকে অফিসিয়াল পেইজে একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে, যেখানে দেখানো হয়েছে অক্ষয় খান্নার দুটি ছবির দৃশ্য। প্রথমটিতে বালোচিস্তানের এন্ট্রি সিকুয়েন্স এবং তা দিয়ে মাদকাসক্তদের প্রশ্ন করা হয়েছে যে “নেশায় চুর থাকলে নিজেদের এমনটাই মনে হয় তাই না?” দ্বিতীয়টিতে তাঁর অন্য একটি ছবির দৃশ্য ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে দেখা গিয়েছে তাঁকে মাটিতে লুটিয়ে পড়তে এবং তাদের রাজধানীর পুলিশ দাবি করেছে যে, “মাদক শুধু ভ্রম তৈরি করে, তাই নিজের জীবনের উপর নিয়ন্ত্রণ হারাবেন না।”
ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, “নিজেকে নায়ক মনে হতে পারে মাদকাসক্ত হলে। কিন্তু মায়াজাল এটি একটি। আর উচিত নয় নিজেকে বিকিয়ে দেওয়া এক মুহূর্তের মজার কাছে।” ভিডিওটি জনসম্মুখে আসতেই শুরু হয় কমেন্টের বন্যা। সকলেই নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন কমেন্ট বক্সে। তবে অধিকাংশই এটি প্রশংসা করেছেন এবং দাবি করেছেন যে এভাবে আগামীদিনে আরো প্রচার করলে ভালো হয়। তবে এভাবে সমাজ সচেতনতার বার্তা দেওয়ার দিল্লী পুলিশ এই প্রথমবার করেনি, এর আগেও একাধিকবার করেছে। আগেও এমন উদ্যোগ দেখা গিয়েছে তাদের তরফ থেকে। সেক্ষেত্রে দেখার যে এভাবে প্রচার কোনো কাজে আসে কিনা। সাধারণ মানুষ সচেতন হন কিনা, সেটাই বড় প্রশ্ন।

