হাফিজুর রহমান, কলকাতা: এখন একটিই খবর বেশ বাজার গরম করছে সেটি হল জি নিউজ-এর সাংবাদিক! সোমা মাইতির আর শারীরিক নিগৃহর ঘটনা। এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুত্তে ক্ষোভ দেখাচ্ছিল উত্তোজিত জনতা। সেখানে উপস্থিত ছিল আমদের কাহিনির নায়্যিকা সোমা মাইতি ও তার ক্যামেরাম্যান।
সোমা জানিয়েছে যে উত্তোজিত জনতা তার শ্লীলতাহানি করেছে। দু কিলো মিটার রাস্তায় চুলের মুঠি ধরে টেনে নিয়ে মাথায় মেরেছে উত্তোজিত জনতা। তাকে বাচাতে গিয়ে তার কামেরাম্যানের মাথা ফেটেছে। কোনরকমে সোমা মুক্তি পেয়ে বেসরকারি এক নার্সিংহোমে ভর্তি হয়েছে। রহস্য শুরু এখান থেকে। রহস্যের পর্দা খুলে সত্যি ঘটনা বলছি। ঘটনার সময় নাকি পুলিশ ছিল নীরব দর্শক! সোমা ভুলে গেছে এটা গোবলয নয়, প্রকাশ্য রাস্তায় লোক মহিলার শিল্লতাহানির দৃশ্য দেখে হজম করবে এটি কল্পকাহিনী ছাড়া অন্য কিছু নয়
নারী লাঞ্ছনা বলে কথ্য। ওমনি গোদি মিডিয়ার হুক্কাহুয়া শুরু সঙ্গে হোয়াটস্যাপ ইউনিভারসিটিব দু টাকার ট্রোলার বাহিনী। যে সময় জি টিভির সেই সাংবাদিক নার্সিং হোম যায়, পরনে ছিল মেরুণ রঙের টাইট গেঘী ও স্কাই ব্লু জিন্স। ছবিতে দেখা গেছ টি শার্ট অক্ষত অবস্থায় আছে কোথাও ছেড়া ফাটা নেই,, অথচ অভিনয় করে বলা হয়েছে জামা কাপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। হাত নেড়ে প্রেসের সঙ্গে কথা বলতে বলতে ভুলে গেছে সবকিছু রেকর্ড হচ্ছে। পরে যখন সেই সংবাদিক নামি মহিলা জিনসের পা গুটিয়ে বা হাতে আর হাঁটুতে ব্যান্ডেজ মেরে সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করেছে। এখানেই শেষ নয়, এরপর সেই তথা কথিত সাংবাদিক বিছানায় শুয়ে পোস্ট ছেড়েছে। এবার ড্রেস চেঞ্জ , মেরুনের বদলে হলুদ রঙের টাইট টি-শার্ট এবং বা হাতের বদলে ডান হাতে স্লিং লাগানো আছে। গল্পের গরু কি ভাবে গাছে ওঠে এটি তার উদাহারণ।
আসলে গদি মিডিয়া বিশ্বাস হারিয়েছে অনেকদিন আগে। লোকে এখন গদি খবর না দেখে আমাদের মত চ্যানেল দেখছে। টিআরপি রেটিং কমছে হহু করে। তাই এই ভাবেই টাকা খেয়ে গদি মিডিয়া টিআরপি বাড়ানোর খেলায় মেতেছে। এভাবেই একটি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে জনমত সংঘঠিত করে একটি দলের এজেন্ডায় কাঠের পুতুলের মত কাজ করে যাচ্ছ। এর পরিণাম কি হতে পারে সে সব চিন্তা ভাবনা না করেই। পাপ আর পারা চাপা যায় না ঠিক ফুটে বেরোয়। চালাকি করে ধরা পড়ে গেছে সেই ময়ূরপুচ্ছ ধারি সাংবাদিক।
