দেবজিৎ মুখার্জি: গুয়াহাটি টেস্টে বড় বিপাকে টিম ইন্ডিয়া। পরাজয় একপ্রকার নিশ্চিত তাদের। যেই অবস্থায় দাঁড়িয়ে ম্যাচ এই মুহূর্তে, তাতে জয় সম্ভাবনা প্রায় নেই বলতে গেলে। এই মুহূর্তে যেটা তারা করতে পারে, সেটা হলো মাটি আঁকড়ে পড়ে থেকে ম্যাচ ড্র করা। তাদের সামনে বড় টার্গেট দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৫৪৯ রান করতে হবে তাদের। সবচেয়ে চিন্তার বিষয় যে ইতিমধ্যেই তারা দুটি উইকেট হারিয়ে ফেলেছে। এই পরিস্থিতি থেকে ম্যাচ জেতার কোনও সম্ভাবনা যে নেই, তা বলাই যায়। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে একটা বড় সুযোগ রয়েছে টিম ইন্ডিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করার।
মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ছিল গুয়াহাটি টেস্টের চতুর্থ দিনের খেলা। বিনা উইকেটে ২৬ রান নিয়ে খেলতে নামে দক্ষিণ আফ্রিকা। নেমেই আগ্রাসী রূপ ধারণ করে তারা। আরও ২৩৪ রান যোগ করে তারা ৫টি উইকেট হারিয়ে। সর্বোচ্চ ৯৪ রানের ইনিংস খেলেন ট্রিস্টান স্টাবস। এছাড়া টনি ডি জর্জি করেন ৪৯। ৩৫ রানের ইনিংস আসে রায়ান রিকেল্টন এবং ইউয়ান মুল্ডারের ব্যাট থেকে। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে চারটি উইকেট নিজের ঝুলিতে তোলেন রবীন্দ্র জাদেজা এবং একটি উইকেট পান দলের অন্যতম তারকা স্পিনার অলরাউন্ডার ওয়াশিংটন সুন্দর। অর্থাৎ ভারতকে টার্গেট দেওয়া হয় ৫৪৯ রানের।
তবে রান তাড়া করতে নেমে কোনোভাবেই আগ্রাসী দেখায়নি ভারতকে। দলের দুই ওপেনার যশস্বী জয়েসওয়াল এবং কেএল রাহুল, দুজনকেই বেশ নড়বড়ে দেখায় প্রোটিয়া বোলিং আক্রমণের সামনে। বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকে থাকতে পারেননি দুই ক্রিকেটারই। ১৩ রানে আউট হন যশস্বী জয়েসওয়াল। তিনি হন মার্কো ইয়ানসেনের শিকার। অন্যদিকে রাহুল আউট হন ৬ রান করে। তাঁকে প্যাভিলিয়নের রাস্তা দেখান হার্মার। চতুর্থ দিনের খেলা শেষে ক্রিজে অপরাজিত রয়েছেন সাই সুদর্শন ও কুলদীপ যাদব। এবার দেখার যে অন্তিম দিনে কি ফলাফল হয়। ভারত কি ম্যাচ জেতার জন্য লড়বে নাকি ড্র করার জন্য? এই প্রশ্নই এখন ঘোরাফেরা করছে দেশের সকল ক্রিকেটপ্রেমী থেকে শুরু করে সমগ্র ক্রিকেটমহলের মধ্যে।
