Hardik Pandya – এ বাংলার মুখ https://ebanglarmukh.com বাংলার অন্যতম ই-ম্যাগাজিন Wed, 10 Dec 2025 04:05:57 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=6.9.1 242543434 ফিরেই তাক লাগলেন হার্দিক, ব্যাটে-বলে ঘায়েল করলেন প্রোটিয়াদের https://ebanglarmukh.com/sports/hardik-pandyas-exceptional-performance-in-his-comeback-match/ https://ebanglarmukh.com/sports/hardik-pandyas-exceptional-performance-in-his-comeback-match/#respond Wed, 10 Dec 2025 04:05:55 +0000 https://ebanglarmukh.com/?p=2608 দেবজিৎ মুখার্জি: ক্রিকেটের ক্ষুদ্রতম ফরম্যাট, অর্থাৎ টি২০তে ফিরেই তাক লাগিয়ে দিলেন টিম ইন্ডিয়ার তারকা অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া। মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, কটকের বরাবতি স্টেডিয়ামে খেলা হয় ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে পাঁচ ম্যাচে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ। সেখানে ব্যাট হাতে ও বল হাতে, দুভাবেই অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখান হার্দিক। ব্যাট হাতে যেমন ৫৯ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেছেন তিনি, তেমনি বল হাতে একটি উইকেটও তুলেছেন। তিনিই হন ম্যাচের সেরা। ম্যাচটিও ভারত নিজেদের ঝুলিতে তোলে। বড় ব্যবধানে যেতে তারা। ১০১ রানে জিতে সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেছে ‘মেন ইন ব্লু’।

পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে হার্দিক নিজের ইনিংস ও কামব্যাক নিয়ে অবস্থান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “আমি সন্তুষ্ট যেভাবে আমি ব্যাট করছিলাম। আমার মনে হয় ফিটনেসের দৃষ্টিকোণ থেকে গত ৬-৭ মাস অসাধারণ ছিল।” এরপর গত ৫০ দিন এনসিএতে কাটানো নিয়েও নিজের অবস্থান জানান হার্দিক। তিনি বলেন, “এটা দেখে খুবই ভালো লাগে যে যখন তুমি এখানে আসো এবং ফল দেখতে পাও। আমাকে এভাবেই মোটিভেট করা হয়েছে যাতে আমি কি চাই, তা ম্যাটার না করে, বরং দল কি চায়, তা ম্যাটার করে।” 

তারকা অলরাউন্ডার আরো বলেন, “যখনই আমি সুযোগ পাই, তখনই নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি। কিছুদিন ভালো যায়, আবার কিছুদিন ভালো যায় না। তবে মাইন্ডসেটটা আমার বরাবর সাহায্য করে। নিজের কেরিয়ারে আমি বরাবরই নিজের দল ও দেশকে প্রথম প্রাধান্য দিয়েছি, সে যে দলেরই হয়ে খেলি না কেন। এটাই আমার সবচেয়ে বড় ইউএসপি এবং এটাই আমায় চিরকাল সাহায্য করেছে।” 

বলে রাখা ভালো, মঙ্গলবার হার্দিক ২৮ বলে ৫৯ রানের ইনিংস খেলেছেন, যার মধ্যে রয়েছে ছটি চার এবং চারটি ছয়। প্রথমে ব্যাট করে ভারত করেছে ছয় উইকেটে ১৭৫। দক্ষিণ আফ্রিকা অলআউট হয়েছে ৭৪ রানে। ১০১ রানে জয় পেয়েছে ভারত। সিরিজের পরবর্তী ম্যাচ খেলা হবে মুল্লানপুরে।

]]>
https://ebanglarmukh.com/sports/hardik-pandyas-exceptional-performance-in-his-comeback-match/feed/ 0 2608
ক্রুনালের সাফল্যে খুশি হার্দিক, চোখে জল দাবি এমআই অধিনায়কের  https://ebanglarmukh.com/sports/krunals-success-made-hardik-cry/ https://ebanglarmukh.com/sports/krunals-success-made-hardik-cry/#respond Thu, 05 Jun 2025 02:51:10 +0000 https://ebanglarmukh.com/?p=1132 দেবজিৎ মুখার্জি: ভাই ক্রুনালের সাফল্যে চোখে জল হার্দিকের। যেভাবে ক্রুনাল পান্ডিয়া তাঁর দল রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে ফাইনাল জিতিয়েছেন, তা মুগ্ধ করেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ককে। এই ট্রফি জেতায় পান্ডিয়া পরিবারে এলো নবম খেতাব। এই ব্যাপারে লিখেছেন হার্দিক এবং জানিয়েছেন যে তাঁর চোখে জল আসছে এটা দেখে। এখানেই শেষ নয়, তিনি আরো লেখেন যে তিনি ক্রুনালের সাফল্যে গর্বিত। সবমিলিয়ে, পান্ডিয়া পরিবারে এখন বইছে খুশির হাওয়া। 

মঙ্গলবার, ৩রা জুন, গুজরাটের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আইপিএল ফাইনাল খেলতে নামে আরসিবি ও পাঞ্জাব কিংস। টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন পাঞ্জাব অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার। প্রথমে ব্যাট করে স্কোরবোর্ডে লড়াই করার মতো রান তোলে বেঙ্গালুরু। তবে দলের কোন ব্যাটারই ৫০ রানের ইনিংস খেলতে পারেননি। পাঞ্জাবের বোলাররা শেষের ওভারগুলিতে রান আটকাতে সফল হয়েছিলেন। প্রথমে মনে করা হচ্ছিল যে বড় রান করবে আরসিবি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২০০ রানের নিচে আটকে দিতে সফল হয় পাঞ্জাব। 

জবাবে রান তাড়া করতে নেমে পাঞ্জাব শুরুটা বেশ ভালোই করে। তবে আসল বিপর্যয় ঘটে মাঝের ওভারগুলিতে। তখন একাধিক উইকেট হারান শ্রেয়াস আইয়াররা, যার ফলে চাপে পড়ে যায় তারা। এতটাই তাদের চেপে ধরে বেঙ্গালুরুর বোলাররা যে শেষ পর্যন্ত টার্গেটের কাছাকাছি এসেও ফিনিশ লাইন পার করতে পারেনি পাঞ্জাব। শেষ ওভারের দরকার ছিল ২৯ রান। বলছিল জশ হেজেলউডের হাতে। তবে সেই ওভারে ২২ রান করেন শশাঙ্ক সিং। মাত্র ৭ রানের জন্য ট্রফি হাতছাড়া হয় পাঞ্জাবের। অর্থাৎ ম্যাচ ৬ রানে নিজেদের পকেটে তুলে আরসিবি এবং তোলে নিজেদের প্রথম আইপিএল খেতাবও।

তবে এই জয়ের মূল কারিগর ক্রুনাল পান্ডিয়া। বল হাতে তিনি নিজের চার ওভারের কোটায় দেন মাত্র ১৭ রান এবং তোলেন দুটি উইকেট। বলা যায়, তিনি রীতিমতো পাঞ্জাবের রান করার গতি কমিয়ে দেন, যা চাপে ফেলে তাদের এবং শেষ পর্যন্ত আরসিবিকে তাদের প্রথম আইপিএল ট্রফি পাইয়ে দেয়। তাঁকেই ম্যাচের সেরা ঘোষণা করা হয়। এই পারফরম্যান্সে শুধু দল নয়, খুশি গোটা পান্ডিয়া পরিবারও। তাদের ঘরে নবম ট্রফি আসে। খুশিতে চোখে জল আসে হার্দিকের। তিনি লেখেন, “এটা দেখে আমার চোখে জল আসছে। তোর জন্য আমি গর্বিত।”

]]>
https://ebanglarmukh.com/sports/krunals-success-made-hardik-cry/feed/ 0 1132
“বোলিং নিয়ে চিন্তা নেই” ম্যাচ জিতে সোজাসাপটা হার্দিক https://ebanglarmukh.com/sports/not-worried-about-bowling-hardiks-straightforward-reply-after-winning-match/ https://ebanglarmukh.com/sports/not-worried-about-bowling-hardiks-straightforward-reply-after-winning-match/#respond Fri, 02 May 2025 16:01:57 +0000 https://ebanglarmukh.com/?p=700 দেবজিৎ মুখার্জি: চলতি আইপিএলে দাপট অব্যাহত হার্দিক পান্ডিয়ার নেতৃত্বাধীন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের। এবার তাদের হাতে বিশ্রীভাবে পরাজিত হলো রাজস্থান রয়েলস। ১০০ রানে ম্যাচ নিজেদের পকেটে তোলেন রোহিত-সূর্যরা। সৌজন্যে ব্যাট হাতে দলের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও রায়ান রিকেল্টনের মারকুটে ইনিংস এবং বল হাতে ট্রেন্ট বোল্ট ও কর্ণ শর্মার বিধ্বংসী বোলিং। এই নিয়ে পরপর ছটি ম্যাচে জয় পেলো তারা। সবমিলিয়ে, রিয়ান পরাগদের বিরুদ্ধে একটি নিখুঁত ‘টিম গেম’ তুলে ধরল মুম্বাই।

এদিনের ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এমআই অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া দলের পারফরমেন্সের কথা তুলে ধরেন এবং স্পষ্ট করে দেন যে দলের বোলিং বিভাগ যেমন এবং সকলের যা অভিজ্ঞতা রয়েছে, তাতে তিনি চিন্তিত নন। পাশাপাশি, তিনি এটাও জানিয়ে দেন যে তাঁরা সহজ ক্রিকেট খেলবে কারণ এটাই তাদের কাজে আসছে। এছাড়া হার্দিক এটাও জানান যে দল হাম্বেল, ডিসিপ্লিনড ও ফোকাস থাকবে। মুম্বাই অধিনায়কের বক্তব্যে এটা স্পষ্ট যে তিনি ট্রফিকে পাখিরচোখ করেছেন এবং প্রতিটা ম্যাচকেই গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন

হার্দিক বলেন, “ব্যাটিং ও বোলিং দুটোই ভালো হয়েছে। তবে আমি মনে করি যে আমরা ১৫ রান বেশি পেতাম। যখন সূর্য আর আমি ব্যাট করছিলাম, তখন আমাদের দুজনের মধ্যে কথা হচ্ছিল পার্সেন্টেজ শট ও ক্রিকেটীয় শট খেলার। রোহিত শর্মা ও রায়ান বিকেল্টন যেরকম ব্যাট করতেন, সেরকমই করেছেন। রায়ান নিজের ইন্টেন্ট রেখেছিল এবং ওই বাউন্ডারিগুলোকে টার্গেট করেছিল। সেটা ফ্যান্টাস্টিক। যেভাবে আমরা ব্যাট করেছি, সেটা প্রপার ব্যাটসম্যানশিপ।” এরপর বোলিং প্রসঙ্গে তারকা অলরাউন্ডার বলেন, “জানিনা কাদের নাম নেবো। তবে আমাদের যেরকম বোলিং আক্রমণ আছে এবং সকলের যে অভিজ্ঞতা, তাতে আমার কোন চিন্তা নেই। সকলেই কি করতে হবে সেই ব্যাপারে পরিষ্কার এবং আমরা সহজ ক্রিকেটের উপরে গুরুত্ব দেবো কারণ সেটাই আমাদের কাজে দিচ্ছে। আশা করছি এটা জারি থাকবে। আমরা হম্বেল, ডিসিপ্লিনড ও ফোকাস থাকব।”

উল্লেখ্য, এদিনের ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ২১৭ রান তোলে মুম্বাই। সর্বোচ্চ ৬১ করেন রায়ান রিকেল্টন। এছাড়া রোহিত শর্মা করেন ৫৩। অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া ও সূর্যকুমার যাদব অপরাজিত থাকেন একই রানে। দুজনেরই ব্যক্তিগত সংগ্রহ ২৩ বলে ৪৮। জবাবে রান তাড়া করতে নেমে রীতিমতো তাসের ঘরের মতো ভেঙ্গে যায় রাজস্থানের ব্যাটিং অর্ডার। ১১৭ রানে গোটা দল ফিরে যায় প্যাভিলিয়নে। তিনটি করে উইকেট পান বোল্ট ও শর্মা। ম্যাচের সেরা ঘোষণা করা হয় রায়ান রিকেল্টনকে।

]]>
https://ebanglarmukh.com/sports/not-worried-about-bowling-hardiks-straightforward-reply-after-winning-match/feed/ 0 700
রবিবারে খুশির হাওয়া পান্ডিয়া পরিবারে https://ebanglarmukh.com/sports/happiness-in-pandya-family-on-sunday/ https://ebanglarmukh.com/sports/happiness-in-pandya-family-on-sunday/#respond Mon, 28 Apr 2025 08:06:45 +0000 https://ebanglarmukh.com/?p=637 দেবজিৎ মুখার্জি: রবিবার দিনটাই যেন ছিল পান্ডিয়া ভাইদের জন্য। দুই ভাই রীতিমতো হৈচৈ ফেলে দিলেন ক্রিকেটমহলে। একদিকে নিজের নেতৃত্বের জেরে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে আগে এগিয়ে নিয়ে গেলেন হার্দিক পান্ডিয়া। অন্যদিকে, আরেক ভাই ক্রুনাল নিজের মারকুটে ব্যাটিংয়ের সাহায্যে ম্যাচ জেতালেন রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে। যদিও লখনৌর বিরুদ্ধে ম্যাচের সেরা হার্দিক হয়নি, তবে দিল্লির বিরুদ্ধে পুরস্কারটি জেতেন ক্রুনাল। সবমিলিয়ে, একেবারে একটা খুশির হাওয়া বয়েছে গতকাল পান্ডিয়া পরিবারে।

রবিবার, ২৭শে এপ্রিল, একটি ক্রাঞ্চ গেমে ঘরের মাঠ ওয়ানখেরে স্টেডিয়ামে লখনৌ সুপার জায়েন্টসের বিরুদ্ধে খেলতে নামে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। প্রথমে ব্যাট করে রীতিমতো রানের পাহাড় তৈরি করে তারা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে তারা তোলে ২১৫ রান। সর্বোচ্চ ৫৮ রানের ইনিংস খেলেন প্রোটিয়া ওপেনার রায়ান রিকেল্টন। এছাড়া ৫৪ রানের একটি মারকুটে ইনিংস আসে সূর্যকুমার যাদবের ব্যাট থেকেও। এছাড়া ব্যাট আরো অনেকেই মোটামুটি অবদান রেখেছেন। জবাবে রান তাড়া করতে নেমে লখনৌর ইনিংস শেষ হয় ১৬১ রানে। পুরো ২০ ওভার খেলেছেন তারা। চারটি উইকেট পান বুমরাহ এবং তিনটি ট্রেন্ট বোল্ট। প্লেয়ার অফ দ্যা ম্যাচ হন উইল জ্যাক্স।

ম্যাচ শেষে হার্দিক বলেন, “যেই মোমেন্টাম আমরা পেয়েছি, সেটাকেই আগে নিয়ে যাচ্ছি। সকলেই ভাল খেলছে এবং সুযোগ নিয়েছে। বশ এসেই ছক্কা হাকিয়েছে এবং বোলাররাও একদম অন-টার্গেট ছিল। সকলেই লেগেছিল আজকের ম্যাচে। আমি বল করি তখনই যখন দরকার পড়ে। আজকে ভালো সুযোগ ছিল বশের কাছে বল করার। এই প্রতিযোগিতা অত্যন্ত কঠিন। তাই এগুলোর মধ্যে হারিয়ে গেলে চলবেনা। আমাদের ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে, পরবর্তী ম্যাচের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে এবং এই মোমেন্টামটা আগে নিয়ে যেতে হবে।”

অন্যদিকে, আরসিবি বনাম ডিসি ম্যাচে দিল্লির দেওয়া ১৬৩ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে ২৬ রানে তিনটি উইকেট হারায় বেঙ্গালুরু। এরপরই বিরাট কোহলি ও ক্রুনাল পান্ডিয়া একটি বড় পার্টনারশিপ গড়ে দলকে ৬ উইকেটে ম্যাচ জেতান। বিরাট আউট হন ৫১ রানে এবং ক্রুনাল অপরাজিত থাকেন ৭৩ রানে। তিনি টিম ডেভিডকে নিয়ে দলকে ফিনিশ লাইন পার করান। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ম্যাচের সেরা হয়ে ক্রুনাল বলেন, “প্রথম ২০টা বল খেলতে আমার বেশ অসুবিধা হয়। কিন্তু অন্যদিক থেকে বিরাট কোহলি আমার কাজটা সহজ করে দেয় এবং আমাকে ব্যাক করতে থাকে। তারপর আমি ছন্দ খুঁজে পাই। তাই ওনাকে আমি বেশি ক্রেডিট দেবো।”

]]>
https://ebanglarmukh.com/sports/happiness-in-pandya-family-on-sunday/feed/ 0 637